WBBSE Class 8 English Revision Lesson Solved

WBBSE Class 6 English Revision Lesson Solved | Activity 1-10 (Blossom)

Revision Lesson

Activity 1

SingularPlural
childchildren
manmen
oxoxen
goosegeese
deerdeer

Activity 2

(parent, lioness, tree, nephew, bull, student, nun, tiger, room, hind, glass)

MasculineFeminineNeuterCommon
nephewlionesstreeparent
bullnunroomstudent
tigerhindglass

Activity 3 (a)

  • (i) There is an owl on the tree.
  • (ii) Rima is the best girl in the class.
  • (iii) The house is beside the Ganges.
  • (iv) Rabindranath Tagore was a great poet.

Activity 3 (b)

  • (i) On Sundays I go for swimming.
  • (ii) The farmer is sitting under the tree.
  • (iii) The lady is standing at the bus stop.
  • (iv) The river flows beside the village.

(Help Box: from, in, at, under, into, beside, on)

Activity 4

  • good: He is a very good football player.
  • six: I have six pencils in my pencil box.
  • beautiful: The rose is a beautiful flower.
  • few: Only a few students were present in the class today.

Let’s talk (Picture Description)

Description of the picture for the class: “This picture shows a pleasant day in a green park. An old man is taking a walk, holding the hand of a little girl, while a friendly dog walks beside them. On the left, two young boys are happily playing football. In the background, two people are resting on a bench under the tall trees, and birds are flying in the sky.”

বাংলা অর্থ: “এই ছবিটিতে একটি সবুজ পার্কের একটি মনোরম দিনের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। একজন বৃদ্ধ মানুষ একটি ছোট্ট মেয়ের হাত ধরে হাঁটছেন, আর তাদের পাশে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ কুকুর হেঁটে চলেছে। বাঁদিকে, দুটি ছোট ছেলে আনন্দে ফুটবল খেলছে। পিছনের দিকে, লম্বা গাছের নীচে একটি বেঞ্চে দুজন মানুষ বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং আকাশে পাখিরা উড়ছে।”

Activity 5

  • (a) He (watches/watched [✓]) the film yesterday evening.
  • (b) The child (is reading [✓]/read) a story book now.
  • (c) My father (is going/went [✓]) to Kolkata last week.
  • (d) The boys (are playing [✓]/played) football in the field now.

Activity 6

Across:

  • 2: traditional folk dance of West Bengal ➔ CHHAU
  • 3: one of the Seven Wonders of the World ➔ TAJMAHAL
  • 5: classical music of Southern India ➔ CARNATIC

Down:

  • 1: a classical dance of Kerala ➔ KATHAKALI
  • 4: carving on wood or stone ➔ SCULPTURE
  • 6: matching in rhythm ➔ RHYMING

Activity 7

  • (a) One day, a little boy was sitting with a nail, a piece of wood and a hammer.
  • (b) What are you doing, my son?
  • (c) Oh! My toy is broken.
  • (d) Don’t cry my child“, said the stranger.

Activity 8

Vidyasagar, Elephant, Grapes, Damodar, Darjeeling, Street

Common nounsProper Nouns
ElephantVidyasagar
GrapesDamodar
StreetDarjeeling

Activity 9

I am Jhumi. Rana is a cousin of mine. He is a kind boy. He gave a book to Rumni. She is my sister. Rumni and Rana are classmates. They go to school together. Their school is near the village of ours.

Activity 10

what do you do in your free time-describe it-how much you enjoy doing it-do you learn anything from it

  1. In my free time, I love to read storybooks, which is my favorite hobby.
  2. I usually sit in a quiet corner of my room and dive into adventurous or magical stories.
  3. I enjoy doing it very much because reading takes my mind to wonderful, imaginary places.
  4. Through reading, I learn many new English words and interesting facts about the world.
  5. Overall, it is a great hobby that relaxes me and improves my knowledge.

The Little Plant (দ্য লিটল প্ল্যান্ট) – ছোট্ট গাছ

— Kate Louise Brown (কেট লুইস ব্রাউন)

প্রথম স্তবক:

In the heart of a seed,

  • উচ্চারণ: ইন দ্য হার্ট অফ আ সিড,
  • অর্থ: একটি বীজের একদম গভীরে (হৃদয়ে),

Buried deep so deep,

  • উচ্চারণ: বারিড ডিপ সো ডিপ,
  • অর্থ: মাটির অনেক, অনেক নিচে পোঁতা অবস্থায়,

A tiny plant,

  • উচ্চারণ: আ টাইনি প্ল্যান্ট,
  • অর্থ: একটি ছোট্ট গাছ,

Lay fast asleep.

  • উচ্চারণ: লে ফাস্ট অ্যাস্লিপ।
  • অর্থ: গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল।

দ্বিতীয় স্তবক:

‘Wake,’ said the sunshine,

  • উচ্চারণ: ‘ওয়েক’, সেইড দ্য সানশাইন,
  • অর্থ: সূর্যের আলো বলল, ‘জাগো,’

‘And creep to the light,’

  • উচ্চারণ: ‘অ্যান্ড ক্রিপ টু দ্য লাইট,’
  • অর্থ: ‘এবং হামাগুড়ি দিয়ে আলোর দিকে এসো,’

‘Wake,’ said the voice

  • উচ্চারণ: ‘ওয়েক’, সেইড দ্য ভয়েস
  • অর্থ: ‘জাগো,’ এই কথাটি বলল

Of the raindrops bright.

  • উচ্চারণ: অফ দ্য রেইনড্রপস ব্রাইট।
  • অর্থ: উজ্জ্বল বৃষ্টির ফোঁটার কণ্ঠস্বর।

তৃতীয় স্তবক:

The little plant heard

  • উচ্চারণ: দ্য লিটল প্ল্যান্ট হার্ড
  • অর্থ: ছোট্ট গাছটি সেই ডাক শুনতে পেল

And it rose to see,

  • উচ্চারণ: অ্যান্ড ইট রোজ টু সি,
  • অর্থ: এবং সে উঠে দাঁড়াল এটা দেখার জন্য যে,

What the wonderful

  • উচ্চারণ: হোয়াট দ্য ওয়ান্ডারফুল
  • অর্থ: এই চমৎকার

Outside world might be.

  • উচ্চারণ: আউটসাইড ওয়ার্ল্ড মাইট বি।
  • অর্থ: বাইরের পৃথিবীটা কেমন হতে পারে।
বোঝাপড়া (Bojhapora) - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

বোঝাপড়া (Bojhapora) – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর | প্রশ্ন-উত্তর ও সম্পূর্ণ আলোচনা | সাহিত্যমেলা | অষ্টম শ্রেণি

বোঝাপড়া

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

১. কবি পরিচিতি অংশের প্রশ্ন:

১.১ জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত কোন পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিয়মিত লিখতেন?

উত্তর: জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়ি থেকে প্রকাশিত ‘ভারতী’ ও ‘বালক’ পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিয়মিত লিখতেন।

১.২ ভারতের কোন প্রতিবেশী দেশে তাঁর লেখা গান জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়?

উত্তর: ভারতের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে তাঁর লেখা গান (‘আমার সোনার বাংলা’) জাতীয় সংগীত হিসেবে গাওয়া হয়।

২. নীচের প্রশ্নগুলির কয়েকটি বাক্যে উত্তর দাও:

২.১ ‘সেইটে সবার চেয়ে শ্রেয়।’ — কোনটি সবার চেয়ে শ্রেয়?

উত্তর: জীবনে চলার পথে অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝা বা বাধা আসে। সেই বিপদ বা দুঃখের সাগরে ডুবে না গিয়ে, নিজেকে ভাসিয়ে রাখা বা পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে চলাই সবার চেয়ে শ্রেয়।

২.২ ‘ঘটনা সামান্য খুবই।’ — কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে?

উত্তর: জীবনে চলার পথে আমরা অনেক সময় আঘাত পাই বা প্রতারিত হই, যা আমরা আশা করি না। নিজের ওপর বা অন্যের ওপর বিশ্বাসভঙ্গ হওয়ার এই আঘাত পাওয়ার ঘটনাকেই কবি ‘সামান্য ঘটনা’ বলেছেন, কারণ এটি জগতেও নিয়ম।

২.৩ ‘তেমন করে হাত বাড়ালে / সুখ পাওয়া যায় অনেকখানি।’ — উদ্ধৃতিটির নিহিতার্থ স্পষ্ট করো।

উত্তর: আমরা যদি জেদ বা অহংকার ত্যাগ করে উদার মনে অন্যের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিই এবং পরিস্থিতিকে সহজভাবে মেনে নিই, তবে জীবনে অনেকখানি সুখ পাওয়া যায়।

২.৪ ‘মরণ এলে হঠাৎ দেখি / মরার চেয়ে বাঁচাই ভালো।’ — ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: মানুষ দুঃখ-কষ্টে পড়ে অনেক সময় জীবন সম্পর্কে হতাশ হয়ে পড়ে। কিন্তু যখন সত্যিকারের মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়, তখন মানুষ বুঝতে পারে এই পৃথিবী ও জীবন কত সুন্দর। তখন সে মরতে চায় না, বাঁচতেই চায়।

২.৫ ‘তাহারে বাদ দিয়েও দেখি / বিশ্বভুবন মস্ত ডাগর।’ — উদ্ধৃতিটির মধ্য দিয়ে জীবনের কোন সত্য প্রকাশ পেয়েছে?

উত্তর: আমাদের জীবন থেকে কেউ হারিয়ে গেলে বা সরে গেলে আমরা খুব কষ্ট পাই। কিন্তু তাতে পৃথিবী বা মহাবিশ্বের বিশালতার কোনো ক্ষতি হয় না। প্রকৃতি ও জীবন নিজের গতিতেই চলতে থাকে—এই সত্যই এখানে প্রকাশ পেয়েছে।

২.৬ কীভাবে মনের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে?

উত্তর: জীবনে ভালো-মন্দ যাই আসুক, সত্যকে সহজভাবে মেনে নিতে হবে। মনকে বোঝাতে হবে যে, সবাই সবাইকে ভালোবাসে না বা সবাই সবকিছু পায় না। এই সত্য মেনে নিয়েই মনের সঙ্গে বোঝাপড়া করতে হবে।

২.৭ ‘দোহাই তবে এ কার্যটা / যত শীঘ্র পারো সারো।’ — কবি কোন কার্যের কথা বলেছেন? সেই কার্যটি শীঘ্র সারতে হবে কেন?

উত্তর: কবি মনের সঙ্গে বোঝাপড়া করে ফেলার কথা বলেছেন। এটি শীঘ্রই করা দরকার কারণ অযথা হাহাকার করে সময় নষ্ট করলে জীবনের আনন্দ মাটি হয়ে যাবে এবং আকাশ বা পৃথিবীর সৌন্দর্য উপভোগ করা যাবে না।

২.৮ কখন আঁধার ঘরে প্রদীপ জ্বালানো সম্ভব?

উত্তর: যখন মানুষ মনের সঙ্গে বোঝাপড়া করে সমস্ত ঝগড়া বা বিবাদ মিটিয়ে ফেলতে পারে এবং বাস্তবের সত্যকে মেনে নেয়, তখনই হতাশার আঁধার ঘরে আশার প্রদীপ জ্বালানো সম্ভব।

২.৯ ‘ভুলে যা ভাই, কাহার সঙ্গে / কতটুকুন তফাত হলো।’ — এই উদ্ধৃতির মধ্যে দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?

উত্তর: কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, কার সাথে আমাদের কতটুকু মতের অমিল বা পার্থক্য হলো, তা মনে রেখে মন খারাপ করা উচিত নয়। এইসব বিবাদ ভুলে সামনের দিকে এগিয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

২.১০ ‘অনেক ঝঞ্ঝা কাটিয়ে বুঝি / এলে সুখের বন্দরেতে,’ — ‘ঝঞ্ঝা কাটিয়ে আসা’ বলতে কী বোঝো?

উত্তর: ‘ঝঞ্ঝা কাটিয়ে আসা’ বলতে জীবনের নানারকম দুঃখ-কষ্ট, বাধা-বিপত্তি এবং মানসিক সংকট বা সংগ্রামের কঠিন সময় পার করে আসাকে বোঝানো হয়েছে।

৩. নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর নিজের ভাষায় লেখো:

৩.১ ‘ভালো মন্দ যাহাই আসুক / সত্যেরে লও সহজে’ — তুমি কি কবির সঙ্গে একমত? জীবনে চলার পথে নানা বাধাকে তুমি কীভাবে অতিক্রম করতে চাও?

উত্তর: হ্যাঁ, আমি কবির সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। জীবনে চলার পথে অনেক বাধা ও বিপত্তি আসবেই, এটাই স্বাভাবিক। আমি এই বাধাগুলোকে ভয় না পেয়ে সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করতে চাই। সত্য যত কঠিনই হোক, তাকে সহজভাবে মেনে নিয়ে এবং মনের জোর বজায় রেখে আমি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।

৩.২ ‘মনেরে আজ কহ যে, / ভালো মন্দ যাহাই আসুক / সত্যেরে লও সহজে।’ — কবির মতো তুমি কি কখনও মনের সঙ্গে কথা বলো? সত্যকে মেনে নেবার জন্য মনকে তুমি কীভাবে বোঝাবে — একটি পরিস্থিতি কল্পনা করে বুঝিয়ে লেখো।

উত্তর: হ্যাঁ, আমিও কবির মতো মাঝে মাঝে নিজের মনের সঙ্গে কথা বলি। পরিস্থিতি: ধরো, পরীক্ষায় অনেক পড়াশোনা করার পরেও আমার ফল আশানুরূপ হলো না। তখন মন খুব খারাপ হয়ে যায়। সেই সময় আমি মনকে বোঝাই যে, “ভেঙে পড়লে চলবে না। হয়তো কোথাও খামতি ছিল। এই সত্যটা মেনে নিয়ে পরের বারের জন্য আরও দ্বিগুণ উৎসাহে পড়াশোনা করতে হবে। যা হয়েছে তা পাল্টানো যাবে না, কিন্তু ভবিষ্যতের ফল ভালো করা আমার হাতেই আছে।”

৩.৩ ‘তেমন করে হাত বাড়ালে / সুখ পাওয়া যায় অনেকখানি।’ — ‘তেমন করে’ কথাটির অর্থ বুঝিয়ে দাও। এখানে কবি কী ধরনের সুখের ইঙ্গিত করেছেন — লেখো।

উত্তর:

  • ‘তেমন করে’ কথাটির অর্থ: এখানে ‘তেমন করে’ বলতে নিঃস্বার্থভাবে ও উদার মনে হাত বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ, নিজের জেদ বা অহংকার সরিয়ে রেখে, কারো প্রতি বিদ্বেষ না রেখে যদি আমরা বন্ধুত্বের বা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিই, সেই বিশেষ ভঙ্গিকেই ‘তেমন করে’ বলা হয়েছে।
  • সুখের ইঙ্গিত: কবি এখানে মানসিক প্রশান্তি ও আত্মতৃপ্তির সুখের কথা বলেছেন। আমরা যখন অন্যের সঙ্গে বিবাদ ভুলে মিলেমিশে থাকি এবং পরিস্থিতিকে সহজভাবে গ্রহণ করি, তখন মনের জ্বালা দূর হয়ে এক গভীর শান্তি বা সুখ অনুভব করা যায়। কবি সেই অনাবিল সুখের কথাই এখানে বুঝিয়েছেন।

৪. নীচের শব্দগুলির দল বিশ্লেষণ করে মুক্ত দল ও রুদ্ধ দল চিহ্নিত করো:

  • বোঝাপড়া: বো-ঝা-প-ড়া (সবকটিই মুক্ত দল)।
  • কতোটা: ক-তো-টা (সবকটিই মুক্ত দল) [অথবা উচ্চারণের ওপর ভিত্তি করে: ক-তক-টা হলে ‘তক’ রুদ্ধ হবে, কিন্তু সাধারণ উচ্চারণে সব মুক্ত]। বইয়ের বানান অনুযায়ী ‘কতকটা’: ক-তক-টা (ক=মুক্ত, তক=রুদ্ধ, টা=মুক্ত)।
  • সত্যেরে: সত-তে-রে (সত=রুদ্ধ, তে=মুক্ত, রে=মুক্ত)।
  • পাঁজরগুলো: পাঁ-জর-গু-লো (পাঁ=মুক্ত, জর=রুদ্ধ, গু=মুক্ত, লো=মুক্ত)।
  • বিশ্বভুবন: বিশ-শ-ভু-বন (বিশ=রুদ্ধ, শ=মুক্ত, ভু=মুক্ত, বন=রুদ্ধ)।
  • অশ্রুসাগর: অশ-রূ-সা-গর (অশ=রুদ্ধ, রূ=মুক্ত, সা=মুক্ত, গর=রুদ্ধ)।

৫. নীচের প্রতিটি শব্দের তিনটি করে সমার্থক শব্দ লেখো:

  • মন: চিত্ত, হৃদয়, অন্তর।
  • জখম: আঘাত, চোট, ক্ষত।
  • ঝঞ্ঝা: ঝড়, তুফান, দুর্যোগ।
  • ঝগড়া: বিবাদ, কলহ, দ্বন্দ্ব।
  • সামান্য: অল্প, তুচ্ছ, সাধারণ।
  • শঙ্কা: ভয়, ভীতি, সংশয়।
  • আকাশ: গগন, অম্বর, নভঃ।

৬. নীচের প্রতিটি শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ দিয়ে শব্দজোড় তৈরি করে বাক্য রচনা করো:

  • আঁধার (বিপরীত: আলো)আলো-আঁধার: গোধূলি বেলার আলো-আঁধারে মনটা কেমন করে উঠল।
  • সত্য (বিপরীত: মিথ্যা)সত্য-মিথ্যা: ঘটনাটির সত্য-মিথ্যা যাচাই না করে কাউকে দোষ দিও না।
  • দোষ (বিপরীত: গুণ)দোষ-গুণ: মানুষের দোষ-গুণ বিচার করেই তাকে গ্রহণ করা উচিত।
  • আকাশ (বিপরীত: পাতাল)আকাশ-পাতাল: তোমার কথায় ও কাজে আকাশ-পাতাল তফাত।
  • সুখ (বিপরীত: দুঃখ)সুখ-দুঃখ: মানুষের জীবন সুখ-দুঃখের সমষ্টি।

বিশ্ব উষ্ণায়ন: এক গভীর সংকট | অনুচ্ছেদ রচনা | মাধ্যমিক

বিশ্ব উষ্ণায়ন: এক গভীর সংকট | অনুচ্ছেদ রচনা | মাধ্যমিক

বিশ্ব উষ্ণায়ন: এক গভীর সংকট

ভূমিকা:

বর্তমান যুগে পরিবেশের সবথেকে বড় সমস্যার নাম হলো ‘বিশ্ব উষ্ণায়ন’ বা গ্লোবাল ওয়ার্মিং। পৃথিবী আমাদের একমাত্র আশ্রয়স্থল, কিন্তু আমাদেরই অসাবধানতায় এই সুন্দর পৃথিবী আজ জ্বরে আক্রান্ত রোগীর মতো উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে দূষণ বাড়ছে, আর তার ফলেই দেখা দিয়েছে এই সংকট।

বিশ্ব উষ্ণায়ন কী?

সহজ কথায়, পৃথিবীর বাতাসের গড় তাপমাত্রা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার ঘটনাকেই ‘বিশ্ব উষ্ণায়ন’ বলা হয়। সূর্যের তাপ পৃথিবীতে আসে, কিন্তু বাতাসের দূষিত গ্যাসের চাদর সেই তাপকে মহাশূন্যে ফিরে যেতে বাধা দেয়। ফলে পৃথিবী একটি ‘গ্রিনহাউস’ বা কাঁচের ঘরের মতো গরম হয়ে উঠছে।

উষ্ণায়নের কারণ

বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রাকৃতিকভাবে ঘটছে না, এর পেছনে মূল দায়ী মানুষ। এর প্রধান কারণগুলি হলো:

  • ১. গ্যাসের প্রভাব: বাতাসে কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন এবং ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)-এর মতো বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এই গ্যাসগুলোই তাপ আটকে রাখে।
  • ২. গাছ পালা ধ্বংস: গাছ বাতাস থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেয়। কিন্তু মানুষ ঘরবাড়ি ও কলকারখানা তৈরির জন্য নির্বিচারে বনজঙ্গল কেটে ফেলছে। ফলে বাতাস গরম হচ্ছে।
  • ৩. কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া: কয়লা, পেট্রোল ও ডিজেল পোড়ানোর ফলে কলকারখানা ও গাড়ি থেকে প্রচুর কালো ধোঁয়া বের হয়, যা বাতাসকে দূষিত ও উত্তপ্ত করছে।

পরিবেশের ওপর প্রভাব

বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলাফল খুবই ভয়াবহ। এর প্রভাবে:

  • বরফ গলে যাওয়া: পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর বিশাল বরফ এবং পাহাড়ের হিমবাহগুলো দ্রুত গলে যাচ্ছে।
  • সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি: বরফ গলার ফলে সমুদ্রের জলের উচ্চতা বাড়ছে। বিজ্ঞানীদের মতে, এর ফলে আগামী দিনে মালদ্বীপ বা আমাদের সুন্দরবনের মতো নিচু এলাকাগুলো জলের তলায় তলিয়ে যেতে পারে।
  • আবহাওয়ার পরিবর্তন: ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে। যখন তখন বন্যা, খরা বা ‘আমফান’, ‘ইয়াস’-এর মতো ঘূর্ণিঝড় দেখা দিচ্ছে।
  • রোগব্যাধি: গরম বাড়ার সাথে সাথে নানা ধরণের অসুখ ও চর্মরোগের প্রকোপ বাড়ছে।

প্রতিকারের উপায়

এই বিপদ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে আমাদের এখনই সতর্ক হতে হবে:

  • ১. গাছ লাগানো: গাছই পারে পৃথিবীকে বাঁচাতে। তাই গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে এবং ‘একটি গাছ, একটি প্রাণ’ মন্ত্র মেনে প্রচুর গাছ লাগাতে হবে।
  • ২. দূষণ কমানো: কয়লা বা তেলের ব্যবহার কমিয়ে সৌরশক্তি বা বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে হবে। প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
  • ৩. সচেতনতা: শুধু আইন করে নয়, মানুষকে নিজের থেকেই সচেতন হতে হবে পরিবেশকে রক্ষা করার জন্য।

উপসংহার

পৃথিবী আমাদের মায়ের মতো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী রেখে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই আসুন, আমরা সবাই মিলে শপথ নিই—দূষণ কমাবো, গাছ লাগাবো এবং পৃথিবীকে বাসের যোগ্য করে তুলবো।

মানুষের খাদ্য

পরিবেশ ও বিজ্ঞান | সপ্তম শ্রেণী | অধ্যায় ৫ : মানুষের খাদ্য

Fable

Fable Class 10: All Exercise Solved | MCQ, Grammar & Question Answer

Fable (ফেবল)

– Ralph Waldo Emerson (রালফ ওয়ালডো এমারসন)

The Author and the Text:

English Text: Ralph Waldo Emerson (1803–1882) was an American essayist, lecturer, and poet. His famous poems include Concord Hymn and Brahma. The poem describes a conversation between the squirrel and the mountain. The squirrel points out that in this world every being, living or non-living, big or small, have their individual reasons for existence.

ইংরেজি উচ্চারণ: রালফ ওয়ালডো এমারসন (১৮০৩–১৮৮২) ওয়াজ অ্যান আমেরিকান এসেয়িস্ট, লেকচারার, অ্যান্ড পোয়েট। হিজ ফেমাস পোয়েমস ইনক্লুড কনকর্ড হাইম অ্যান্ড ব্রহ্মা। দ্য পোয়েম ডেসক্রাইবস্ আ কনভারসেশন বিটুইন দ্য স্কুইরেল অ্যান্ড দ্য মাউন্টেন। দ্য স্কুইরেল পয়েন্টস আউট দ্যাট ইন দিস ওয়ার্ল্ড এভরি বিং, লিভিং অর নন-লিভিং, বিগ অর স্মল, হ্যাভ দেয়ার ইনডিভিজুয়াল রিজনস ফর এক্সিস্টেন্স।

বঙ্গানুবাদ: রালফ ওয়ালডো এমারসন (১৮০৩–১৮৮২) ছিলেন একজন আমেরিকান প্রাবন্ধিক, প্রভাষক এবং কবি। তাঁর বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘কনকর্ড হাইম’ এবং ‘ব্রহ্মা’। এই কবিতাটি কাঠবিড়ালি এবং পর্বতের মধ্যে একটি কথোপকথন বা আলোচনা বর্ণনা করে। কাঠবিড়ালিটি এখানে তুলে ধরে যে, এই পৃথিবীতে প্রতিটি সত্তার—তা জীব বা জড়, ছোট বা বড় যাই হোক না কেন—অস্তিত্বের বা টিকে থাকার নিজস্ব বা ব্যক্তিগত কারণ রয়েছে।

Read the following poem:

The mountain and the squirrel

  • উচ্চারণ: দ্য মাউন্টেন অ্যান্ড দ্য স্কুইরেল
  • বঙ্গানুবাদ: পর্বত এবং কাঠবিড়ালি।

Had a quarrel:

  • উচ্চারণ: হ্যাড আ কোয়ারেল
  • বঙ্গানুবাদ: (তাদের মধ্যে) একবার ঝগড়া হয়েছিল।

And the former called the latter ‘Little Prig’.

  • উচ্চারণ: অ্যান্ড দ্য ফর্মার কল্ড দ্য ল্যাটার ‘লিটল প্রিগ’
  • বঙ্গানুবাদ: এবং আগের জন (পর্বত) পরের জনকে (কাঠবিড়ালিকে) বলল ‘পুঁচকে দাম্ভিক’ (এমন ছোট, তুচ্ছ বা অতিরিক্ত নীতি মেনে চলা ব্যক্তি যে অন্যদের ছোটখাটো ভুল ধরে, যা এখানে পর্বত কাঠবেড়ালিকে ব্যঙ্গ করে বলছে. )।

Bun replied,

  • উচ্চারণ: বান রিপ্লায়েড
  • বঙ্গানুবাদ: কাঠবিড়ালি উত্তর দিল,

“You are doubtless very big;

  • উচ্চারণ: ইউ আর ডাউটলেস ভেরি বিগ
  • বঙ্গানুবাদ: “তুমি নিঃসন্দেহে খুব বড়;

But all sorts of things and weather

  • উচ্চারণ: বাট অল সর্টস অফ থিংস অ্যান্ড ওয়েদার
  • বঙ্গানুবাদ: কিন্তু সব রকমের জিনিস এবং আবহাওয়া

Must be taken together,

  • উচ্চারণ: মাস্ট বি টেকেন টুগেদার
  • বঙ্গানুবাদ: অবশ্যই একসাথে জড়ো করতে হবে,

To make up a year

  • উচ্চারণ: টু মেক আপ আ ইয়ার
  • বঙ্গানুবাদ: একটি বছর তৈরি করার জন্য

And a sphere.

  • উচ্চারণ: অ্যান্ড আ স্ফিয়ার
  • বঙ্গানুবাদ: এবং একটি গোলক (পৃথিবী) তৈরি করার জন্য।

And I think it no disgrace

  • উচ্চারণ: অ্যান্ড আই থিঙ্ক ইট নো ডিসগ্রেস
  • বঙ্গানুবাদ: এবং আমি এটাকে কোনো অপমানের বিষয় মনে করি না

To occupy my place.

  • উচ্চারণ: টু অকুপাই মাই প্লেস
  • বঙ্গানুবাদ: আমার নিজের জায়গাটি দখল করে থাকাকে।

If I’m not so large as you,

  • উচ্চারণ: ইফ আই অ্যাম নট সো লার্জ অ্যাজ ইউ
  • বঙ্গানুবাদ: আমি যদি তোমার মতো এত বিশাল না হই,

You are not so small as I,

  • উচ্চারণ: ইউ আর নট সো স্মল অ্যাজ আই
  • বঙ্গানুবাদ: তুমিও তো আমার মতো এত ছোট নও,

And not half so spry.

  • উচ্চারণ: অ্যান্ড নট হাফ সো স্প্রাই
  • বঙ্গানুবাদ: এবং আমার অর্ধেকও চটপটে (বা চঞ্চল) নও।

I’ll not deny you make

  • উচ্চারণ: আই উইল নট ডিনাই ইউ মেক
  • বঙ্গানুবাদ: আমি অস্বীকার করব না যে তুমি তৈরি করো

A very pretty squirrel track;

  • উচ্চারণ: আ ভেরি প্রিটি স্কুইরেল ট্র্যাক
  • বঙ্গানুবাদ: কাঠবিড়ালির চলার জন্য একটি খুব সুন্দর পথ;

Talents differ; all is well and wisely put;

  • উচ্চারণ: ট্যালেন্টস ডিফার; অল ইজ ওয়েল অ্যান্ড ওয়াইজলি পুট
  • বঙ্গানুবাদ: একেক জনের প্রতিভা একেক রকম; সবকিছুই ঠিকঠাক এবং বিচক্ষণভাবে সাজানো আছে;

If I cannot carry forests on my back,

  • উচ্চারণ: ইফ আই ক্যাননট ক্যারি ফরেস্টস অন মাই ব্যাক
  • বঙ্গানুবাদ: আমি যদি আমার পিঠে জঙ্গল বা বনভূমি বহন করতে না পারি,

Neither can you crack a nut.”

  • উচ্চারণ: নাইদার ক্যান ইউ ক্র্যাক আ নাট
  • বঙ্গানুবাদ: তুমিও তো (আমার মতো) একটা বাদাম ভাঙতে পারো না।”

Comprehension exercises

Activity 1

1. Choose the correct alternative to complete the following sentences: (সঠিক বিকল্পটি বেছে নিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করো)

(a) The quarrel was between the mountain and the (ঝগড়াটি হয়েছিল পাহাড় এবং …… এর মধ্যে)

  • (i) rabbit (খরগোশ)
  • (ii) rat (ইঁদুর)
  • (iii) cat (বিড়াল)
  • (iv) squirrel (কাঠবিড়ালি) [✔ সঠিক উত্তর]

(b) Bun has no doubt that the mountain is (বানের/কাঠবিড়ালির কোনো সন্দেহ নেই যে পাহাড়টি ……)

  • (i) small (ছোট)
  • (ii) big (বড়) [✔ সঠিক উত্তর]
  • (iii) noble (মহান)
  • (iv) kind (দয়ালু)

(c) Unlike a mountain, a squirrel can crack a (পাহাড়ের মতো না হলেও, কাঠবিড়ালি ভাঙতে পারে একটি ……)

  • (i) nut (বাদাম) [✔ সঠিক উত্তর]
  • (ii) joke (কৌতুক)
  • (iii) stone (পাথর)
  • (iv) lock (তালা)

Activity 2

2. State whether the following statements are True or False. Provide sentences/phrases/words in support of your answer: (নিচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা বলো এবং তোমার উত্তরের স্বপক্ষে যুক্তি দাও)

(a) The mountain called the squirrel “Little Bun”. (পাহাড় কাঠবিড়ালিকে “লিটল বান” বলেছিল।)

  • Answer: False (মিথ্যা)
  • Supporting statement: And the former called the latter “little prig”. (যুক্তি: এবং আগের জন পরের জনকে “পুঁচকে দাম্ভিক” বলেছিল।)

(b) The squirrel is sprier than the mountain. (কাঠবিড়ালি পাহাড়ের চেয়ে বেশি চনমনে/চটপটে।)

  • Answer: True (সত্য)
  • Supporting statement: And not half so spry. (যুক্তি: এবং আমার অর্ধেকও চটপটে নও।)

(c) The mountain can carry forests on its back. (পাহাড় তার পিঠে বন জঙ্গল বহন করতে পারে।)

  • Answer: True (সত্য)
  • Supporting statement: If I cannot carry forests on my back. (যুক্তি: আমি যদি আমার পিঠে জঙ্গল বহন করতে না পারি… [মানে পাহাড় পারে])।)

Activity 3

3. Answer the following questions: (নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও)

(a) Who had a quarrel with the squirrel? (কাঠবিড়ালির সাথে কার ঝগড়া হয়েছিল?)

Answer: The mountain had a quarrel with the squirrel. (পাহাড়ের সাথে কাঠবিড়ালির ঝগড়া হয়েছিল।)

(b) What is not a disgrace to the squirrel? (কাঠবিড়ালির কাছে কোনটি অপমানের বিষয় নয়?)

Answer: To occupy his place is not a disgrace to the squirrel. (তার নিজের জায়গা দখল করে থাকাটা কাঠবিড়ালির কাছে অপমানের নয়।)

(c) What is it that the squirrel doesn’t deny? (কাঠবিড়ালি কী অস্বীকার করে না?)

Answer: The squirrel does not deny that the mountain has a pretty squirrel track. (কাঠবিড়ালি অস্বীকার করে না যে পাহাড়ের গায়ে কাঠবিড়ালিদের চলার খুব সুন্দর রাস্তা আছে।)

Grammar in use (ব্যাকরণ অংশ)

Activity 4

4. Replace the underlined words with suitable phrasal verbs from the list given below: (নিচে দেওয়া তালিকা থেকে সঠিক Phrasal Verb বেছে নিয়ে দাগ দেওয়া শব্দের পরিবর্তে বসাও)

(a) Rabi met his friend in the park. (রবি পার্কে তার বন্ধুর সাথে দেখা করেছিল।)

Answer: came across (Came across মানে হঠাৎ দেখা হওয়া।)

(b) Tanushree cannot tolerate cruel behaviour to animals. (তনুশ্রী প্রাণীদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ সহ্য করতে পারে না।)

Answer: put up with (Put up with মানে সহ্য করা।)

(c) His proposal was rejected. (তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল।)

Answer: turned down (Turned down মানে প্রত্যাখ্যান করা বা বাতিল করা।)

[ List: turn down, come over, put up with, come across ]

Activity 5

5. Change the voice of the following sentences: (নিচের বাক্যগুলির বাচ্য পরিবর্তন বা Voice Change করো)

(a) Lock the door. (দরজাটি বন্ধ করো।)

Answer: Let the door be locked. (দরজাটি বন্ধ করা হোক।)

(b) Ashim knows the solution to this problem. (অসীম এই সমস্যার সমাধান জানে।)

Answer: The solution to this problem is known to Ashim. (এই সমস্যার সমাধানটি অসীমের জানা।) (নোট: know-এর পরে by বসে না, to বসে।)

(c) I had written a letter. (আমি একটি চিঠি লিখেছিলাম।)

Answer: A letter had been written by me. (আমার দ্বারা একটি চিঠি লেখা হয়েছিল।)

Writing Activities (ছবিতে দেওয়া হাতের লেখা এবং পোস্টার থেকে)

Activity 6

Write a letter to your friend (within 100 words) advising her / him to visit the public library in her / his locality as frequently as possible.

Answer:

Your Address:

Date:

Dear Suman,

I am very glad to receive your letter and to know that you are all well. I have come to know through your letter that a public library has been set up in your locality recently for the benefits of the learners. A library is storehouse of books. The reference books in the library will surely help you to enhance your knowledge. Moreover, the magazines that are kept in the library reading room will help you to keep close contact with the world of recent time. Your reading habit will increase if you visit the library as frequently as possible in your leisure time.

I am well. No more today. More when we meet. Love to you and regards to your parents.

Yours ever

your name

Your Friend’s Address:

বঙ্গানুবাদ:

তোমার ঠিকানা:

তারিখ:

প্রিয় সুমন,

তোমার চিঠি পেয়ে এবং তোমরা সবাই ভালো আছো জেনে আমি খুব খুশি হয়েছি। তোমার চিঠির মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি যে, শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সম্প্রতি তোমাদের এলাকায় একটি পাবলিক লাইব্রেরি (গণগ্রন্থাগার) স্থাপন করা হয়েছে। লাইব্রেরি হলো বইয়ের ভাণ্ডার। লাইব্রেরিতে থাকা রেফারেন্স বইগুলো নিশ্চিতভাবে তোমার জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে। তাছাড়া, লাইব্রেরির রিডিং রুমে রাখা ম্যাগাজিনগুলো তোমাকে বর্তমান বিশ্বের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখতে সাহায্য করবে। তোমার অবসর সময়ে যত ঘনঘন সম্ভব লাইব্রেরিতে গেলে তোমার পড়ার অভ্যাস বৃদ্ধি পাবে।

আমি ভালো আছি। আজ আর নয়। দেখা হলে আরও কথা হবে। তোমাকে ভালোবাসা এবং তোমার বাবা-মাকে আমার শ্রদ্ধা জানিও।

তোমার চিরদিনের

(তোমার নাম)

তোমার বন্ধুর ঠিকানা

Activity 7

Write a paragraph (within 100 words) on the benefits of early morning exercises using the following points:

good for health (স্বাস্থ্যের জন্য ভালো) – fresh air (সতেজ বাতাস) – keeps one active throughout the day (সারাদিন একজনকে সক্রিয় রাখে)

Answer:

Benefits of early morning exercises

It is rightly said that the early morning exercise is a very good habit. It keeps our body fit and fresh for the work to be done rest of the day. Moreover, we get pollution free air in the early morning. There are a few cars and the air is smokeless. So, nature remains fresh, calm and cool in the early hours of the day. Morning exercise keeps our body healthy and free from diseases. Our minds remain fresh and active throughout day. We get fresh energy and enthusiasm to perform our duties. Thus early morning exercises have many benefits in our life.

বঙ্গানুবাদ:

ভোরের শরীরচর্চার উপকারিতা

এটা যথার্থই বলা হয় যে ভোরের শরীরচর্চা একটি খুব ভালো অভ্যাস। এটি আমাদের শরীরকে দিনের বাকি কাজের জন্য ফিট (উপযুক্ত) এবং সতেজ রাখে। তাছাড়া, আমরা খুব সকালে দূষণমুক্ত বাতাস পাই। (তখন রাস্তায়) খুব কম গাড়ি থাকে এবং বাতাস ধোঁয়াহীন থাকে। তাই, দিনের শুরুর সময়টিতে প্রকৃতি সতেজ, শান্ত এবং শীতল থাকে। সকালের ব্যায়াম আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখে এবং রোগমুক্ত রাখে। সারা দিন আমাদের মন সতেজ এবং সক্রিয় থাকে। আমরা আমাদের দায়িত্ব পালনের জন্য নতুন শক্তি এবং উৎসাহ পাই। এভাবেই আমাদের জীবনে ভোরের শরীরচর্চার অনেক উপকারিতা রয়েছে।

সাহিত্যমেলা | সপ্তম শ্রেণী | প্রথম পাঠ - ছন্দে শুধু কান রাখো | পৃষ্ঠা : ১ - ১২

সাহিত্যমেলা | সপ্তম শ্রেণী | প্রথম পাঠ – ছন্দে শুধু কান রাখো | পৃষ্ঠা : ১ – ১২

ছন্দে শুধু কান রাখো

অজিত দত্ত

১. অনধিক দুটি বাক্যে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও:

১.১ “মন্দ কথায় কান দিও না”— মন্দ কথার প্রতি কবির কীরূপ মনোভাব কবিতায় ব্যক্ত হয়েছে?

উত্তর: মন্দ কথা বা কটু কথা মানুষের মনঃসংযোগ নষ্ট করে এবং ছন্দের অনুভূতি থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। তাই কবি মন্দ কথার প্রতি বিরূপ বা নেতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন এবং তাতে কান দিতে নিষেধ করেছেন।

১.২ “কেউ লেখেনি আর কোথাও”— কোন লেখার কথা এখানে বলা হয়েছে?

উত্তর: নদীর স্রোত যে ছড়া বা ছন্দ তৈরি করে, সেই অপার্থিব ও অনন্য লেখার কথা এখানে বলা হয়েছে। কবি মনে করেন, নদীর স্রোতের এই ছন্দ বা ছড়া পৃথিবীর আর কোথাও লেখা হয়নি।

১.৩ “চিনবে তারা ভুবনটাকে”— কারা কীভাবে ভুবনটাকে চিনবে?

উত্তর: যারা কান ও মন দিয়ে পৃথিবীর সমস্ত ছন্দ ও সুর অনুভব করতে পারবে, তারাই এই ভুবন বা পৃথিবীকে প্রকৃতভাবে চিনতে পারবে।

১.৪ “পদ্য লেখা সহজ নয়”— পদ্য লেখা কখন সহজ হবে বলে কবি মনে করেন?

উত্তর: যখন কেউ ছন্দে কান দিয়ে এবং মন দিয়ে পৃথিবীর সমস্ত কিছুর ছন্দ অনুভব করতে পারবে, তখনই তার পক্ষে পদ্য লেখা সহজ হবে বলে কবি মনে করেন।

১.৫ “ছন্দ শোনা যায় নাকো”— কখন কবির ভাবনায় আর ছন্দ শোনা যায় না?

উত্তর: সমস্ত দ্বন্দ্ব বা বিবাদ ভুলে মন না দিলে, অর্থাৎ মন যদি বিক্ষিপ্ত থাকে বা দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে, তখন আর ছন্দ শোনা যায় না।

২. বিশেষ্যগুলিকে বিশেষণে ও বিশেষণগুলিকে বিশেষ্যে পরিবর্তন করো এবং বাক্য রচনা করো:

  • ঝড় (বিশেষ্য) > ঝোড়ো (বিশেষণ): আজ বিকেলে খুব ঝোড়ো হাওয়া বইছে।
  • মন (বিশেষ্য) > মানসিক (বিশেষণ): তার মানসিক জোর খুব বেশি।
  • ছন্দ (বিশেষ্য) > ছন্দময় (বিশেষণ): প্রকৃতি আজ বড়ই ছন্দময় হয়ে উঠেছে।
  • দিন (বিশেষ্য) > দৈনিক (বিশেষণ): খবরের কাগজ পড়া আমার দৈনিক অভ্যাস।
  • সুর (বিশেষ্য) > সুরেলা (বিশেষণ): মেয়েটির গলা খুব সুরেলা।
  • সংকেত (বিশেষ্য) > সাংকেতিক (বিশেষণ): তিনি সাংকেতিক ভাষায় কথা বলছেন।
  • দ্বন্দ্ব (বিশেষ্য) > দ্বন্দ্বমূলক (বিশেষণ): তাদের মধ্যে একটি দ্বন্দ্বমূলক সম্পর্ক রয়েছে।
  • মন্দ (বিশেষণ) > মন্দত্ব (বিশেষ্য): লোকটির স্বভাবের মন্দত্ব সবাইকে পীড়া দেয়।
  • ছন্দহীন (বিশেষণ) > ছন্দহীনতা (বিশেষ্য): জীবনের ছন্দহীনতা মানুষকে হতাশ করে তোলে।
  • পদ্যময় (বিশেষণ) > পদ্যময়তা (বিশেষ্য): রচনার পদ্যময়তা পাঠককে মুগ্ধ করে।
  • সহজ (বিশেষণ) > সহজতা (বিশেষ্য) / সহজিয়া: বিষয়ের সহজতা ছাত্রদের বুঝতে সাহায্য করে।

৩. নীচের শব্দগুলিকে আলাদা আলাদা অর্থে ব্যবহার করে দুটি করে বাক্য লেখো:

  • মন্দ: (খারাপ): কারো সম্পর্কে মন্দ কথা বলা উচিত নয়।
  • মন্দ: (ধীরে/কম): বাতাসের গতি এখন কিছুটা মন্দ।
  • দ্বন্দ্ব: (ঝগড়া/বিবাদ): ভাইয়ে-ভাইয়ে দ্বন্দ্ব লেগেই আছে।
  • দ্বন্দ্ব: (মিলন/সমাস): ব্যাকরণে দ্বন্দ্ব সমাস আছে।
  • তাল: (ফল): ভাদ্র মাসে পাকা তাল পাওয়া যায়।
  • তাল: (গানের মাত্রা): গান গাইতে গেলে তাল জ্ঞান থাকা দরকার।
  • ডাক: (আহ্বান): মায়ের ডাক শুনে সে দৌড়ে গেল।
  • ডাক: (চিঠিপত্র): পিয়ন ডাক দিয়ে গেল।
  • বাজে: (খারাপ): বাজে বকবে না, কাজ করো।
  • বাজে: (ধ্বনি হওয়া): স্কুলের ঘণ্টা বাজে।

৪. নীচের শব্দগুলি কোন মূল শব্দ থেকে এসেছে লেখো:

  • জ্যোছনা: জোছনা < জ্যোৎস্না (তৎসম শব্দ)।
  • চাকা: চাকা < চক্ক < চক্র (তৎসম শব্দ)।
  • কান: কান < কান্না < কর্ণ (তৎসম শব্দ)।
  • দুপুর: দুপুর < দুপহর < দ্বিপ্রহর (তৎসম শব্দ)।

৫. কবিতার ভাষা থেকে মৌখিক ভাষায় রূপান্তরিত করো:

  • ৫.১) ছন্দ আছে ঝড়-বাদলে: ঝড়-বৃষ্টিতেও ছন্দ আছে।
  • ৫.২) ছন্দে বাঁধা রাত্রি দিন: দিন এবং রাত্রি ছন্দে বাঁধা (বা দিন-রাত ছন্দের বাঁধনে বাঁধা)।
  • ৫.৩) কিছুটি নয় ছন্দহীন: কোনো কিছুই ছন্দহীন নয় (সব কিছুরই ছন্দ আছে)।
  • ৫.৪) চিনবে তারা ভুবনটাকে/ছন্দ সুরের সংকেতে: তারা ছন্দ ও সুরের সংকেতের মাধ্যমে পৃথিবীটাকে চিনবে।
  • ৫.৫) কান না দিলে ছন্দে জেনো/পদ্য লেখা সহজ নয়: জেনে রেখো, ছন্দে কান না দিলে পদ্য লেখা সহজ নয়।

৬. ‘কান’ শব্দটিকে পাঁচটি বিশেষ অর্থে ব্যবহার করে বাক্য লেখো:

  • শ্রবণেন্দ্রিয়: তার কানে একটু কম শোনে।
  • মনোযোগ: শিক্ষকের কথায় কান দাও।
  • চুগলি করা/কু-পরামর্শ: সে আমার বিরুদ্ধে বাবার কান ভাঙাচ্ছে।
  • টানা/শাস্তি: দুষ্টুমির জন্য স্যার ছাত্রটির কান মলে দিলেন।
  • লজ্জা পাওয়া: লজ্জায় তার কান লাল হয়ে গেল।

৭. ‘ঝড়-বাদল’— এমনই সমার্থক বা প্রায়-সমার্থক শব্দ দিয়ে তৈরি পাঁচটি শব্দ লেখো:

. দিন-রাত . হাসি-কান্না . আকাশ-পাতাল . নদ-নদী . পথ-ঘাট

(বা সমার্থক চাইলে: ঝড়-ঝঞ্ঝা, বৃষ্টি-বাদল, ভয়-ডর, লোক-লস্কর, চাল-চলন)

১০. সমার্থক শব্দ লেখো:

  • জল: পানি, নীর, সলিল।
  • দিন: দিবস, দিবা।
  • রাত্রি: রাত, রজনী, নিশা।
  • নদী: তটিনী, প্রবাহিনী, সরিৎ।
  • ভুবন: পৃথিবী, জগৎ, ধরা।

১১. শব্দযুগলের অর্থপার্থক্য দেখাও:

  • দিন (দিবস) — দীন (দরিদ্র/গরিব)।
  • মন (চিত্ত/হৃদয়) — মণ (ওজনের একক, প্রায় ৪০ কেজি)।
  • সুর (গানের স্বর/তান) — শূর (বীর)।
  • সকল (সব/সমস্ত) — শকল (মাছের আঁশ বা খণ্ড)।

১২. ‘যারা-তারা’ র মতো তিনটি সাপেক্ষ শব্দজোড় তৈরি করো:

  • যেমন — তেমন
  • যখন — তখন
  • যে — সে

(অন্য অপশন: যদি — তবে)

১৩. কবিতা থেকে খুঁজে নিয়ে তিনটি সর্বনাম লেখো:

কবিতায় ব্যবহৃত তিনটি সর্বনাম হলো: ১. কেউ (“কেউ লেখেনি আর কোথাও”) ২. তারা (“চিনবে তারা ভুবনটাকে”) ৩. যারা (“সকল ছন্দ শুনবে যারা”)

১৪. কবিতায় রয়েছে এমন চারটি ‘সম্বন্ধ পদ’ উল্লেখ করো:

কবিতায় ব্যবহৃত চারটি সম্বন্ধ পদ (র/এর বিভক্তি যুক্ত পদ) হলো: ১. পাখির (ডাকে) ২. নদীর (স্রোতের) ৩. ঘড়ির (কাঁটা) ৪. মনের (মাঝে) (অন্য অপশন: জলের, ঝিঁঝির)

১৫. নীচের বাক্য/বাক্যাংশের উদ্দেশ্য ও বিধেয় অংশ আলাদাভাবে দেখাও:

১৫.১) ছন্দ আছে ঝড়-বাদলে

  • উদ্দেশ্য: ছন্দ
  • বিধেয়: আছে ঝড়-বাদলে

১৫.২ দেখবে তখন তেমন ছড়া / কেউ লেখেনি আর কোথাও (এখানে মূল বাক্যটি হলো- কেউ আর কোথাও তেমন ছড়া লেখেনি)

  • উদ্দেশ্য: কেউ
  • বিধেয়: লেখেনি আর কোথাও (তেমন ছড়া)

১৫.৩ জলের ছন্দে তাল মিলিয়ে / নৌকো জাহাজ দেয় পাড়ি

  • উদ্দেশ্য: নৌকো জাহাজ
  • বিধেয়: জলের ছন্দে তাল মিলিয়ে … দেয় পাড়ি

১৫.৪ চিনবে তারা ভুবনটাকে / ছন্দ সুরের সংকেতে

  • উদ্দেশ্য: তারা
  • বিধেয়: চিনবে ভুবনটাকে ছন্দ সুরের সংকেতে

১৬. নিম্নরেখ অংশগুলির কারক-বিভক্তি নির্দেশ করো:

(এই অংশটি আগেও দেওয়া হয়েছে, ক্রম বজায় রাখতে পুনরায় দেওয়া হলো)

১৬.১ ছন্দে শুধু কান রাখো — অধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।

১৬.২ ছন্দ আছে ঝড়-বাদলেঅধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।

১৬.৩ দিন দুপুরে পাখির ডাকে — কালাধিকরণ কারকে ‘এ’ বিভক্তি।

১৬.৪ ছন্দে চলে রেলগাড়িকর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি।

১৬.৫ চিনবে তারা ভুবনটাকে — কর্তৃকারকে শূন্য বিভক্তি (বা ‘রা’ বিভক্তি/নির্দেশক)।

জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: বিপন্ন পরিবেশ ও শহরের ভবিষ্যৎ

জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: পরিবেশের চরম সংকট | প্রতিবেদন রচনা

জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: বিপন্ন পরিবেশ ও শহরের ভবিষ্যৎ

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৭ জানুয়ারি ২০২৬: নগরায়ন ও আধুনিকতার দোহাই দিয়ে শহরের বুক থেকে একের পর এক হারিয়ে যাচ্ছে ছোট-বড় জলাশয়। একসময় যেখানে টলটলে জলের ওপর ভেসে বেড়াত হাঁস, পাড়ের গাছে বাসা বাঁধত নানা পাখি, আজ সেখানে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বহুতল আবাসন। পরিবেশবিদদের সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ‘জলা বুজিয়ে আবাসন’ তৈরির এই প্রবণতা থামছে না, যা ভবিষ্যতের জন্য এক অশনি সংকেত।

শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় বেআইনিভাবে পুকুর বা ডোবা ভরাট করার অভিযোগ উঠছে নিয়মিত। জমি মাফিয়া ও অসাধু প্রোমোটার চক্র রাতের অন্ধকারে আবর্জনা ও মাটি ফেলে জলাশয় ভরাট করছে। পরবর্তীতে সেখানে তৈরি হচ্ছে আকাশছোঁয়া অট্টালিকা। এর ফলে সরাসরি লঙ্ঘিত হচ্ছে জলাভূমি সংরক্ষণ আইন। স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করলেও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে সুফল মিলছে না।

জলাশয় ধ্বংসের ফলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। প্রথমত, শহরে ভূগর্ভস্থ জলস্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। আগে এই পুকুরগুলো বৃষ্টির জল ধরে রেখে মাটির নিচের জলের ভারসাম্য বজায় রাখত। এখন সবটাই কংক্রিটে মোড়া থাকায় বৃষ্টির জল মাটিতে শোষিত হতে পারছে না। ফলস্বরূপ, গ্রীষ্মকালে তীব্র জলকষ্ট দেখা দিচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, নিকাশি ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। একটু ভারী বৃষ্টি হলেই শহরের রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ছে, কারণ জল সরে যাওয়ার বা জমা হওয়ার প্রাকৃতিক আধারগুলো আর নেই। একে বলা হচ্ছে ‘আরবান ফ্লাড’ বা শহুরে বন্যা। এছাড়া, জলাশয় ভরাটের ফলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হচ্ছে এবং এলাকার তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইন করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। জলাশয় যে কেবল জমির টুকরো নয়, বরং পরিবেশের ফুসফুস—এই বোধ সাধারণ মানুষের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে এবং বেআইনি ভরাট দেখলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আবাসন মানুষের প্রয়োজন, কিন্তু তা প্রকৃতির বিনিময়ে নয়। কারণ, জল না থাকলে যেমন জীবন থাকবে না, তেমনই বাসযোগ্য পরিবেশ না থাকলে আবাসনও অর্থহীন হয়ে পড়বে।

জীবনের আদর্শ / ছাত্রজীবনের লক্ষ্য

বাংলা রচনা: তোমার জীবনের লক্ষ্য – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: জীবনের আদর্শ / ছাত্রজীবনের লক্ষ্য)

“লক্ষ্যহীন জীবন, হালহীন নৌকার মতো।”

সমুদ্রে ভাসমান নাবিকের যেমন দিকনির্ণয় যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তেমনি জীবনসমুদ্রে পাড়ি দিতে হলে প্রতিটি মানুষের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। লক্ষ্য ছাড়া সাফল্য অর্জন অসম্ভব। ছাত্রাবস্থাতেই ঠিক করে নিতে হয় ভবিষ্যতে আমি কী হতে চাই। আমার জীবনের লক্ষ্য হলো একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়া।

অনেকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে চায়। কিন্তু আমি মনে করি, সমাজ গড়ার আসল কারিগর হলেন শিক্ষকরা। আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, আর সেই ভবিষ্যৎকে সঠিক আকার দেন একজন শিক্ষক। আমাদের দেশে আজও শিক্ষার আলো সব ঘরে পৌঁছায়নি। কুসংস্কার আর অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে আছে অনেক গ্রাম। আমি শিক্ষকতার মহান পেশার মাধ্যমে সেই অন্ধকার দূর করতে চাই।

ডাক্তাররা মানুষের শরীর সারান, কিন্তু শিক্ষকরা মানুষের মন তৈরি করেন। আমি গ্রামের কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে চাই যেখানে ছাত্রছাত্রীরা সুযোগের অভাবে পিছিয়ে আছে। তাদের কেবল পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত করাই আমার কাজ হবে না, বরং তাদের চরিত্র গঠন করা, সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার ব্রত। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ আমার আদর্শ।

স্বপ্ন দেখা সহজ, কিন্তু তা বাস্তবে রূপ দেওয়া কঠিন। আমার এই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমি এখন থেকেই কঠোর পরিশ্রম করছি। মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করে আমি উচ্চশিক্ষার জন্য ভালো কলেজে ভর্তি হতে চাই। এরপর শিক্ষকতা প্রশিক্ষণের (B.Ed) মাধ্যমে নিজেকে একজন দক্ষ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলব। আমি জানি পথ কঠিন, কিন্তু আমার সংকল্প অটুট।

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন— “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” আমি শিক্ষকতার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের সেবা করে দেশের সেবা করতে চাই। আমার বিশ্বাস, একজন ভালো শিক্ষক হাজার হাজার ভালো মানুষ তৈরি করতে পারেন। আর এভাবেই আমি আমার জীবনকে সার্থক করে তুলতে চাই।

ষড়ঋতুর দেশ / বাংলার প্রকৃতি

বাংলা রচনা: বাংলার ঋতু বৈচিত্র্য – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: ষড়ঋতুর দেশ / বাংলার প্রকৃতি)

ওমা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে—” রবীন্দ্রনাথের গানেই বাংলার প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। আমাদের দেশ ষড়ঋতুর দেশ। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে ঋতুর এমন বৈচিত্র্যময় খেলা দেখা যায় না। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত—প্রতি দুই মাস অন্তর প্রকৃতি এখানে নতুন সাজে সেজে ওঠে। একেক ঋতুর একেক রূপ, একেক রং।

বছরের শুরু হয় গ্রীষ্ম দিয়ে। প্রখর রোদে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায়। নদী-নালা শুকিয়ে যায়। কিন্তু এরই মাঝে আসে সুস্বাদু ফল—আম, জাম, লিচু ও কাঁঠাল। মাঝে মাঝে কালবৈশাখী ঝড় এসে প্রকৃতিকে ধুয়ে দিয়ে যায়।

গ্রীষ্মের দাবদাহ জুড়িয়ে দিতে আসে বর্ষা। আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি। নদী-পুকুর জলে টলমল করে। প্রকৃতি সজীব হয়ে ওঠে, গাছে গাছে কদম ও কেয়া ফুল ফোটে। কৃষকরা ধানের চারা রোপণ করেন এই সময়েই।

বর্ষার মেঘ সরে গিয়ে আকাশে পেঁজা তুলোর মতো সাদা মেঘ ভাসে। নদীতীরে ফোটে সাদা কাশফুল। শিউলি ফুলের গন্ধে বাতাস মেতে ওঠে। এই ঋতুতেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার আগমন ঘটে। প্রকৃতি তখন খুশিতে ঝলমল করে।

শরতের পরই আসে হেমন্ত। এই ঋতু অনেকটা শান্ত ও নিস্তব্ধ। মাঠভরা সোনালি ধান দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফোটে। ঘরে ঘরে নতুন ধান ওঠার উৎসবে মেতে ওঠে গ্রামবাংলা, যাকে বলা হয় ‘নবান্ন’। শীতের একটু একটু আমেজ পাওয়া যায় এই সময়ে।

হেমন্তের শেষে উত্তুরে হাওয়া নিয়ে আসে শীত। কুয়াশায় চাদর মুড়ি দেয় প্রকৃতি। মানুষ গরম পোশাকে নিজেকে ঢেকে রাখে। খেজুরের রস, পিঠেপুলি আর নলেন গুড়ের গন্ধে শীতকাল হয়ে ওঠে উপভোগ্য। গাঁদা, ডালিয়া আর চন্দ্রমল্লিকায় বাগান ভরে ওঠে।

সবশেষে আসে ঋতুরাজ বসন্ত। শীতের রুক্ষতা দূর করে গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। কোকিলের কুহু তানে মুখরিত হয় চারপাশ। পলাশ আর শিমুল ফুলের লাল রঙে প্রকৃতি রঙিন হয়ে ওঠে। দোলযাত্রার রঙের উৎসবে মানুষ মেতে ওঠে।

ছয়টি ঋতু যেন ছয়জন ভিন্ন জাদুকর। তারা আসে, তাদের জাদুর ডালা সাজায় এবং চলে যায়। ঋতুচক্রের এই আবর্তন বাংলার মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। প্রকৃতির এই বিচিত্র রূপই বাংলাদেশকে করেছে ‘রূপসী বাংলা’।

পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্র সমাজ / পরিবেশ সংকট ও মানব সভ্যতা

বাংলা রচনা: পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্র সমাজ / পরিবেশ সংকট ও মানব সভ্যতা)

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

ভূমিকা:

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর…” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহু আগেই যন্ত্রসভ্যতার গ্রাস থেকে মুক্তি চেয়েছিলেন। মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্ক মায়ের সাথে সন্তানের মতো। পরিবেশের কোলেই মানুষের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। কিন্তু সভ্যতার অগ্রগতির নেশায় মানুষ আজ নিজের সেই আশ্রয়স্থলকেই ধ্বংস করছে। অরণ্য কেটে গড়ে উঠছে নগর, আর কলকারখানার ধোঁয়ায় আকাশ হচ্ছে মলিন। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যাকে আমরা এককথায় বলি ‘পরিবেশ দূষণ’।

দূষণের প্রকারভেদ ও কারণ: পরিবেশ দূষণ মূলত চারভাবে আমাদের গ্রাস করেছে:

  • ১. বায়ু দূষণ: এটি সবথেকে মারাত্মক। কলকারখানার চিমনি ও যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড বাতাসে মিশে বাতাসকে বিষাক্ত করে তুলছে। অবাধে গাছ কাটার ফলে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমছে।
  • ২. জল দূষণ: নদীর জলে কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, শহরের নর্দমার জল এবং আবর্জনা ফেলার ফলে জল দূষিত হচ্ছে। এর ফলে জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে এবং পানীয় জলের সংকট দেখা দিচ্ছে।
  • ৩. মাটি দূষণ: প্লাস্টিক, পলিথিন এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটি তার উর্বরতা শক্তি হারাচ্ছে। মাটি হয়ে পড়ছে বিষাক্ত।
  • ৪. শব্দ দূষণ: যানবাহনের হর্ন, মাইক, বাজি এবং কলকারখানার বিকট শব্দ মানুষের সহনক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে মানুষের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে।

দূষণের ভয়াবহ ফলাফল: পরিবেশ দূষণের ফলাফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ।

  • বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming): বাতাস দূষিত হওয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাচ্ছে, যা উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
  • রোগব্যাধি: দূষিত জল ও বাতাসের কারণে মানুষ হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, ক্যান্সার, চর্মরোগ ও পেটের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে।
  • প্রাকৃতিক বিপর্যয়: ঋতুচক্রের পরিবর্তন হচ্ছে। যখন তখন খরা, বন্যা বা সাইক্লোন দেখা দিচ্ছে। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে অনেক পশুপাখি।

প্রতিকার ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা: পরিবেশ দূষণ রোধে এখনই সচেতন না হলে মানবজাতির ধ্বংস অনিবার্য। এই কাজে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে:

  • বৃক্ষরোপণ:একটি গাছ, একটি প্রাণ“—এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ছাত্রদের প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। অরণ্যই পারে বাতাসকে শুদ্ধ করতে।
  • সচেতনতা বৃদ্ধি: ছাত্ররা র‍্যালি, পথনাটিকা বা পোস্টারিং-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্লাস্টিক বর্জন এবং জলাশয় পরিষ্কার রাখার গুরুত্ব বোঝাতে পারে।
  • প্লাস্টিক বর্জন: ছাত্ররা নিজেরা প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করবে এবং বাড়ি ও পাড়ায় পাটের বা কাপড়ের থলি ব্যবহারে উৎসাহ দেবে।
  • শব্দ নিয়ন্ত্রণ: উৎসবে মাইক বা বাজি ফাটানো বন্ধ করতে ছাত্ররাই পারে বড়দের বাধ্য করতে।

উপসংহার: প্রকৃতি আমাদের সব দিয়েছে, কিন্তু আমরা তাকে শুধু আঘাতই করেছি। মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন— “Earth provides enough to satisfy every man’s needs, but not every man’s greed.” আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রাখতে হলে দূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে শপথ নিই—পরিবেশ বাঁচাব, আগামী প্রজন্মকে একটি সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দেব।