জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: বিপন্ন পরিবেশ ও শহরের ভবিষ্যৎ

জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: পরিবেশের চরম সংকট | প্রতিবেদন রচনা

জলা বুজিয়ে আবাসন নয়: বিপন্ন পরিবেশ ও শহরের ভবিষ্যৎ

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ৭ জানুয়ারি ২০২৬: নগরায়ন ও আধুনিকতার দোহাই দিয়ে শহরের বুক থেকে একের পর এক হারিয়ে যাচ্ছে ছোট-বড় জলাশয়। একসময় যেখানে টলটলে জলের ওপর ভেসে বেড়াত হাঁস, পাড়ের গাছে বাসা বাঁধত নানা পাখি, আজ সেখানে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বহুতল আবাসন। পরিবেশবিদদের সতর্কবার্তা সত্ত্বেও ‘জলা বুজিয়ে আবাসন’ তৈরির এই প্রবণতা থামছে না, যা ভবিষ্যতের জন্য এক অশনি সংকেত।

শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় বেআইনিভাবে পুকুর বা ডোবা ভরাট করার অভিযোগ উঠছে নিয়মিত। জমি মাফিয়া ও অসাধু প্রোমোটার চক্র রাতের অন্ধকারে আবর্জনা ও মাটি ফেলে জলাশয় ভরাট করছে। পরবর্তীতে সেখানে তৈরি হচ্ছে আকাশছোঁয়া অট্টালিকা। এর ফলে সরাসরি লঙ্ঘিত হচ্ছে জলাভূমি সংরক্ষণ আইন। স্থানীয় বাসিন্দারা অনেক ক্ষেত্রে প্রতিবাদ করলেও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে সুফল মিলছে না।

জলাশয় ধ্বংসের ফলে পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। প্রথমত, শহরে ভূগর্ভস্থ জলস্তর দ্রুত নিচে নেমে যাচ্ছে। আগে এই পুকুরগুলো বৃষ্টির জল ধরে রেখে মাটির নিচের জলের ভারসাম্য বজায় রাখত। এখন সবটাই কংক্রিটে মোড়া থাকায় বৃষ্টির জল মাটিতে শোষিত হতে পারছে না। ফলস্বরূপ, গ্রীষ্মকালে তীব্র জলকষ্ট দেখা দিচ্ছে।

দ্বিতীয়ত, নিকাশি ব্যবস্থার ওপর চাপ বাড়ছে। একটু ভারী বৃষ্টি হলেই শহরের রাস্তাঘাট জলমগ্ন হয়ে পড়ছে, কারণ জল সরে যাওয়ার বা জমা হওয়ার প্রাকৃতিক আধারগুলো আর নেই। একে বলা হচ্ছে ‘আরবান ফ্লাড’ বা শহুরে বন্যা। এছাড়া, জলাশয় ভরাটের ফলে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হচ্ছে এবং এলাকার তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কেবল আইন করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। জলাশয় যে কেবল জমির টুকরো নয়, বরং পরিবেশের ফুসফুস—এই বোধ সাধারণ মানুষের মধ্যে জাগিয়ে তুলতে হবে। প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে হবে এবং বেআইনি ভরাট দেখলেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আবাসন মানুষের প্রয়োজন, কিন্তু তা প্রকৃতির বিনিময়ে নয়। কারণ, জল না থাকলে যেমন জীবন থাকবে না, তেমনই বাসযোগ্য পরিবেশ না থাকলে আবাসনও অর্থহীন হয়ে পড়বে।

জীবনের আদর্শ / ছাত্রজীবনের লক্ষ্য

বাংলা রচনা: তোমার জীবনের লক্ষ্য – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: জীবনের আদর্শ / ছাত্রজীবনের লক্ষ্য)

“লক্ষ্যহীন জীবন, হালহীন নৌকার মতো।”

সমুদ্রে ভাসমান নাবিকের যেমন দিকনির্ণয় যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তেমনি জীবনসমুদ্রে পাড়ি দিতে হলে প্রতিটি মানুষের একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন। লক্ষ্য ছাড়া সাফল্য অর্জন অসম্ভব। ছাত্রাবস্থাতেই ঠিক করে নিতে হয় ভবিষ্যতে আমি কী হতে চাই। আমার জীবনের লক্ষ্য হলো একজন আদর্শ শিক্ষক হওয়া।

অনেকে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার হয়ে প্রচুর অর্থ উপার্জন করতে চায়। কিন্তু আমি মনে করি, সমাজ গড়ার আসল কারিগর হলেন শিক্ষকরা। আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ, আর সেই ভবিষ্যৎকে সঠিক আকার দেন একজন শিক্ষক। আমাদের দেশে আজও শিক্ষার আলো সব ঘরে পৌঁছায়নি। কুসংস্কার আর অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে আছে অনেক গ্রাম। আমি শিক্ষকতার মহান পেশার মাধ্যমে সেই অন্ধকার দূর করতে চাই।

ডাক্তাররা মানুষের শরীর সারান, কিন্তু শিক্ষকরা মানুষের মন তৈরি করেন। আমি গ্রামের কোনো বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতে চাই যেখানে ছাত্রছাত্রীরা সুযোগের অভাবে পিছিয়ে আছে। তাদের কেবল পুঁথিগত বিদ্যায় শিক্ষিত করাই আমার কাজ হবে না, বরং তাদের চরিত্র গঠন করা, সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার ব্রত। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বা ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ আমার আদর্শ।

স্বপ্ন দেখা সহজ, কিন্তু তা বাস্তবে রূপ দেওয়া কঠিন। আমার এই লক্ষ্য পূরণের জন্য আমি এখন থেকেই কঠোর পরিশ্রম করছি। মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করে আমি উচ্চশিক্ষার জন্য ভালো কলেজে ভর্তি হতে চাই। এরপর শিক্ষকতা প্রশিক্ষণের (B.Ed) মাধ্যমে নিজেকে একজন দক্ষ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলব। আমি জানি পথ কঠিন, কিন্তু আমার সংকল্প অটুট।

স্বামী বিবেকানন্দ বলেছিলেন— “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।” আমি শিক্ষকতার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের সেবা করে দেশের সেবা করতে চাই। আমার বিশ্বাস, একজন ভালো শিক্ষক হাজার হাজার ভালো মানুষ তৈরি করতে পারেন। আর এভাবেই আমি আমার জীবনকে সার্থক করে তুলতে চাই।

ষড়ঋতুর দেশ / বাংলার প্রকৃতি

বাংলা রচনা: বাংলার ঋতু বৈচিত্র্য – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: ষড়ঋতুর দেশ / বাংলার প্রকৃতি)

ওমা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে, মরি হায়, হায় রে—” রবীন্দ্রনাথের গানেই বাংলার প্রকৃতির রূপ ফুটে উঠেছে। আমাদের দেশ ষড়ঋতুর দেশ। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে ঋতুর এমন বৈচিত্র্যময় খেলা দেখা যায় না। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত—প্রতি দুই মাস অন্তর প্রকৃতি এখানে নতুন সাজে সেজে ওঠে। একেক ঋতুর একেক রূপ, একেক রং।

বছরের শুরু হয় গ্রীষ্ম দিয়ে। প্রখর রোদে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায়। নদী-নালা শুকিয়ে যায়। কিন্তু এরই মাঝে আসে সুস্বাদু ফল—আম, জাম, লিচু ও কাঁঠাল। মাঝে মাঝে কালবৈশাখী ঝড় এসে প্রকৃতিকে ধুয়ে দিয়ে যায়।

গ্রীষ্মের দাবদাহ জুড়িয়ে দিতে আসে বর্ষা। আকাশ কালো মেঘে ঢেকে যায়, শুরু হয় অবিরাম বৃষ্টি। নদী-পুকুর জলে টলমল করে। প্রকৃতি সজীব হয়ে ওঠে, গাছে গাছে কদম ও কেয়া ফুল ফোটে। কৃষকরা ধানের চারা রোপণ করেন এই সময়েই।

বর্ষার মেঘ সরে গিয়ে আকাশে পেঁজা তুলোর মতো সাদা মেঘ ভাসে। নদীতীরে ফোটে সাদা কাশফুল। শিউলি ফুলের গন্ধে বাতাস মেতে ওঠে। এই ঋতুতেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজার আগমন ঘটে। প্রকৃতি তখন খুশিতে ঝলমল করে।

শরতের পরই আসে হেমন্ত। এই ঋতু অনেকটা শান্ত ও নিস্তব্ধ। মাঠভরা সোনালি ধান দেখে কৃষকের মুখে হাসি ফোটে। ঘরে ঘরে নতুন ধান ওঠার উৎসবে মেতে ওঠে গ্রামবাংলা, যাকে বলা হয় ‘নবান্ন’। শীতের একটু একটু আমেজ পাওয়া যায় এই সময়ে।

হেমন্তের শেষে উত্তুরে হাওয়া নিয়ে আসে শীত। কুয়াশায় চাদর মুড়ি দেয় প্রকৃতি। মানুষ গরম পোশাকে নিজেকে ঢেকে রাখে। খেজুরের রস, পিঠেপুলি আর নলেন গুড়ের গন্ধে শীতকাল হয়ে ওঠে উপভোগ্য। গাঁদা, ডালিয়া আর চন্দ্রমল্লিকায় বাগান ভরে ওঠে।

সবশেষে আসে ঋতুরাজ বসন্ত। শীতের রুক্ষতা দূর করে গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। কোকিলের কুহু তানে মুখরিত হয় চারপাশ। পলাশ আর শিমুল ফুলের লাল রঙে প্রকৃতি রঙিন হয়ে ওঠে। দোলযাত্রার রঙের উৎসবে মানুষ মেতে ওঠে।

ছয়টি ঋতু যেন ছয়জন ভিন্ন জাদুকর। তারা আসে, তাদের জাদুর ডালা সাজায় এবং চলে যায়। ঋতুচক্রের এই আবর্তন বাংলার মানুষের জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি এবং অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। প্রকৃতির এই বিচিত্র রূপই বাংলাদেশকে করেছে ‘রূপসী বাংলা’।

পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্র সমাজ / পরিবেশ সংকট ও মানব সভ্যতা

বাংলা রচনা: পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: পরিবেশ সুরক্ষায় ছাত্র সমাজ / পরিবেশ সংকট ও মানব সভ্যতা)

পরিবেশ দূষণ ও তার প্রতিকার

ভূমিকা:

দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর, লও যত লৌহ লোষ্ট্র কাষ্ঠ ও প্রস্তর…” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বহু আগেই যন্ত্রসভ্যতার গ্রাস থেকে মুক্তি চেয়েছিলেন। মানুষ ও পরিবেশের সম্পর্ক মায়ের সাথে সন্তানের মতো। পরিবেশের কোলেই মানুষের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। কিন্তু সভ্যতার অগ্রগতির নেশায় মানুষ আজ নিজের সেই আশ্রয়স্থলকেই ধ্বংস করছে। অরণ্য কেটে গড়ে উঠছে নগর, আর কলকারখানার ধোঁয়ায় আকাশ হচ্ছে মলিন। এর ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে, যাকে আমরা এককথায় বলি ‘পরিবেশ দূষণ’।

দূষণের প্রকারভেদ ও কারণ: পরিবেশ দূষণ মূলত চারভাবে আমাদের গ্রাস করেছে:

  • ১. বায়ু দূষণ: এটি সবথেকে মারাত্মক। কলকারখানার চিমনি ও যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া, কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড বাতাসে মিশে বাতাসকে বিষাক্ত করে তুলছে। অবাধে গাছ কাটার ফলে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমছে।
  • ২. জল দূষণ: নদীর জলে কলকারখানার রাসায়নিক বর্জ্য, শহরের নর্দমার জল এবং আবর্জনা ফেলার ফলে জল দূষিত হচ্ছে। এর ফলে জলজ প্রাণী মারা যাচ্ছে এবং পানীয় জলের সংকট দেখা দিচ্ছে।
  • ৩. মাটি দূষণ: প্লাস্টিক, পলিথিন এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে মাটি তার উর্বরতা শক্তি হারাচ্ছে। মাটি হয়ে পড়ছে বিষাক্ত।
  • ৪. শব্দ দূষণ: যানবাহনের হর্ন, মাইক, বাজি এবং কলকারখানার বিকট শব্দ মানুষের সহনক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে মানুষের মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি হচ্ছে।

দূষণের ভয়াবহ ফলাফল: পরিবেশ দূষণের ফলাফল অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও ভয়াবহ।

  • বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming): বাতাস দূষিত হওয়ার ফলে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ছে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে যাচ্ছে, যা উপকূলীয় অঞ্চল ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
  • রোগব্যাধি: দূষিত জল ও বাতাসের কারণে মানুষ হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, ক্যান্সার, চর্মরোগ ও পেটের অসুখে আক্রান্ত হচ্ছে।
  • প্রাকৃতিক বিপর্যয়: ঋতুচক্রের পরিবর্তন হচ্ছে। যখন তখন খরা, বন্যা বা সাইক্লোন দেখা দিচ্ছে। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে, হারিয়ে যাচ্ছে অনেক পশুপাখি।

প্রতিকার ও ছাত্রসমাজের ভূমিকা: পরিবেশ দূষণ রোধে এখনই সচেতন না হলে মানবজাতির ধ্বংস অনিবার্য। এই কাজে ছাত্রসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা নিতে হবে:

  • বৃক্ষরোপণ:একটি গাছ, একটি প্রাণ“—এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ছাত্রদের প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগাতে হবে। অরণ্যই পারে বাতাসকে শুদ্ধ করতে।
  • সচেতনতা বৃদ্ধি: ছাত্ররা র‍্যালি, পথনাটিকা বা পোস্টারিং-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে প্লাস্টিক বর্জন এবং জলাশয় পরিষ্কার রাখার গুরুত্ব বোঝাতে পারে।
  • প্লাস্টিক বর্জন: ছাত্ররা নিজেরা প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ করবে এবং বাড়ি ও পাড়ায় পাটের বা কাপড়ের থলি ব্যবহারে উৎসাহ দেবে।
  • শব্দ নিয়ন্ত্রণ: উৎসবে মাইক বা বাজি ফাটানো বন্ধ করতে ছাত্ররাই পারে বড়দের বাধ্য করতে।

উপসংহার: প্রকৃতি আমাদের সব দিয়েছে, কিন্তু আমরা তাকে শুধু আঘাতই করেছি। মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন— “Earth provides enough to satisfy every man’s needs, but not every man’s greed.” আমাদের এই সুন্দর পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে রাখতে হলে দূষণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে শপথ নিই—পরিবেশ বাঁচাব, আগামী প্রজন্মকে একটি সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দেব।

বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ / বাংলার সংস্কৃতি ও উৎসব

বাংলা রচনা: বাংলার উৎসব – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ / বাংলার সংস্কৃতি ও উৎসব)

“জগৎ পারাবারের তীরে শিশুরা সব জড়ো, দুহাত তুলে আকাশ পানে কী যে আশায় ওড়ো।”

বাঙালি উৎসবপ্রিয় জাতি। দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমি আর কঠোর পরিশ্রমের মাঝে উৎসব যেন এক ঝলক তাজা বাতাস। প্রবাদ আছে, “বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ”। অর্থাৎ বছরের প্রতিটি ঋতুতেই বাঙালির ঘরে ঘরে কোনো না কোনো উৎসব লেগেই থাকে। এই উৎসবগুলোই বাঙালির প্রাণশক্তি।

বাংলার উৎসবগুলিকে মূলত চারটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়: ১. ধর্মীয় উৎসব: হিন্দুদের দুর্গাপূজা, কালীপূজা, দোলযাত্রা; মুসলমানদের ঈদ-উল-ফিতর, মহরম; খ্রিস্টানদের বড়দিন এবং বৌদ্ধদের বুদ্ধপূর্ণিমা। তবে ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে এই উৎসবগুলো আজ সার্বজনীন হয়ে উঠেছে। ২. সামাজিক উৎসব: অন্নপ্রাশন, উপনয়ন, বিবাহ, জামাইষষ্ঠী, ভাইফোঁটা, রাখিবন্ধন ইত্যাদি। এগুলি পারিবারিক বন্ধন ও আত্মীয়তার সম্পর্ক দৃঢ় করে। ৩. ঋতু উৎসব: প্রকৃতির পালাবদলের সাথে সাথে আসে নবান্ন, পৌষমেলা, বসন্ত উৎসব বা হোলি, বর্ষামঙ্গল ইত্যাদি। ৪. জাতীয় উৎসব: স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস, নেতাজির জন্মদিন, রবীন্দ্রজয়ন্তী ইত্যাদি।

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব হলো দুর্গাপূজা। শরতের নীল আকাশ আর কাশবনের দোলায় মা আসেন। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সবাই নতুন পোশাকে সেজে ওঠে। অন্যদিকে খুশির উৎসব ঈদ-এ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলে কোলাকুলি করে। সম্প্রীতির এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায় তখন।

বাংলার উৎসবের সাথে জড়িয়ে আছে মেলা। রথযাত্রা, চড়ক বা রাসমেলায় গ্রামীণ কুটির শিল্পের পসরা সাজিয়ে বসেন কারিগররা। মাটির পুতুল, বাঁশের কাজ, ঘর সাজানোর জিনিস বিক্রি করে অনেক মানুষের অন্নসংস্থান হয়। উৎসব তাই শুধু আনন্দ দেয় না, অর্থনীতির চাকাও সচল রাখে।

উৎসব মানেই মিলন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন— “প্রতিদিন মানুষ ক্ষুদ্র, দীন, একাকী। কিন্তু উৎসবের দিনে মানুষ বৃহৎ।” জাতি-ধর্ম-বর্ণ ভুলে মানুষ এক হয় উৎসবে। বিজয়ার কোলাকুলি বা ঈদের সেমাই খাওয়া—সবখানেই থাকে মানবতার জয়গান।

বর্তমান যান্ত্রিক জীবনে মানুষ যখন ক্রমশ একা হয়ে পড়ছে, তখন এই উৎসবগুলোই আমাদের শিকড়ের কাছে ধরে রাখে। বাংলার উৎসব আমাদের শেখায় সংকীর্ণতা ভুলে উদার হতে এবং সবার সাথে আনন্দ ভাগ করে নিতে।

বাংলা রচনা: বিজ্ঞানের ভালো ও মন্দ – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

বাংলা রচনা: বিজ্ঞানের ভালো ও মন্দ – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: প্রতিদিনের জীবনে বিজ্ঞান / বিজ্ঞান: আশীর্বাদ না অভিশাপ)

“বিস্ময় তাই জাগে, মানুষের জাদুমন্ত্রে জগত আজ হাতের মুঠোয় লাগে।”

আদিম মানুষ একসময় গুহায় বাস করত, কাঁচা মাংস খেত। আজ সেই মানুষই বিজ্ঞানের জাদুকরী স্পর্শে মহাকাশ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সকালে ঘুম ভাঙা থেকে রাতে ঘুমোতে যাওয়া পর্যন্ত—আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত বিজ্ঞানের দানে ঘেরা। বিজ্ঞান ছাড়া আধুনিক জীবন এক মুহূর্তও অচল। বিজ্ঞান মানুষের হাতে অসীম ক্ষমতা তুলে দিয়েছে।

বিজ্ঞান মানবসভ্যতার পরম বন্ধু। এর সুফল সবদিকে ছড়িয়ে আছে:

  • চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য: একসময় মহামারী বা সাধারণ অসুখে গ্রাম উজাড় হয়ে যেত। আজ পেনিসিলিন থেকে শুরু করে আধুনিক সার্জারি, এক্স-রে, এমআরআই (MRI) এবং দুরারোগ্য ব্যাধির প্রতিষেধক মানুষের গড় আয়ু অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে।
  • যোগাযোগ ব্যবস্থা: চাকা আবিষ্কার দিয়ে যে যাত্রার শুরু, আজ তা দ্রুতগামী ট্রেন, বিমান ও রকেটে পৌঁছেছে। পৃথিবী আজ ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ বা বিশ্বগ্রামে পরিণত হয়েছে।
  • কৃষি ও শিল্প: ট্রাক্টর, উন্নত বীজ ও সারের ব্যবহারে কৃষিতে সবুজ বিপ্লব এসেছে। ফলে মানুষের অন্নের সংস্থান হয়েছে। কলকারখানায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন জীবনকে সহজ করেছে।
  • দৈনন্দিন জীবন ও বিনোদন: বিদ্যুৎ, ফ্যান, এসি, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার, ইন্টারনেট—সবই বিজ্ঞানের দান। ঘরের কোণে বসেই আজ সারা বিশ্বের খবর ও বিনোদন পাওয়া যায়।

কিন্তু মুদ্রার যেমন উল্টো পিঠ থাকে, বিজ্ঞানেরও আছে। মানুষের লোভ আর অবিবেচনা বিজ্ঞানকে অভিশাপে পরিণত করেছে:

  • ধ্বংসলীলা: বিজ্ঞান মানুষের হাতে তুলে দিয়েছে পরমাণু বোমা, হাইড্রোজেন বোমা ও বিষাক্ত জীবাণু অস্ত্র। হিরোশিমা ও নাগাসাকির কান্না আজও থামেনি। এক লহমায় পৃথিবী ধ্বংস করার ক্ষমতা আজ মানুষের হাতে।
  • পরিবেশ দূষণ: কলকারখানা আর গাড়ির ধোঁয়ায় বাতাস বিষাক্ত হচ্ছে। প্লাস্টিক দূষণে মাটি ও জল নষ্ট হচ্ছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা বিশ্বউষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী বিপন্ন।
  • যান্ত্রিকতা ও বেকারত্ব: যন্ত্রের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা মানুষকে অলস ও আবেগহীন করে তুলছে। আবার কম্পিউটারের ব্যবহারের ফলে অনেক ক্ষেত্রে মানুষের কাজের সুযোগ কমছে, বাড়ছে বেকারত্ব।

বিজ্ঞান নিজে ভালোও নয়, মন্দও নয়—এটি একটি শক্তি মাত্র। ছুরি দিয়ে ডাক্তার যেমন অপারেশন করে প্রাণ বাঁচান, তেমনি খুনি মানুষ মারে। দোষ ছুরির নয়, ব্যবহারকারীর। আমাদের মনে রাখতে হবে, “Science is a good servant but a bad master.”

বিজ্ঞানের জয়রথকে থামানো যাবে না, থামানো উচিতও নয়। তবে তার রাশ আমাদের হাতে রাখতে হবে। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাজ হলো বিজ্ঞানকে ধ্বংসের কাজে ব্যবহার না করে, মানবকল্যাণে ব্যবহার করা। যেদিন আমরা বিজ্ঞান ও বিবেককে এক করতে পারব, সেদিনই পৃথিবী সত্যিকারের স্বর্গে পরিণত হবে।

বাংলা রচনা: বিজ্ঞান ও কুসংস্কার – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

বাংলা রচনা: বিজ্ঞান ও কুসংস্কার – ছাত্রছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ প্রবন্ধ

(বিকল্প নাম: কুসংস্কার দূরীকরণে ছাত্রসমাজ / বিজ্ঞানমনস্কতা ও কুসংস্কার)

“অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো, সেই তো তোমার আলো!…”

আজ একশবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে আমরা বিজ্ঞানের জয়জয়কার দেখছি। মানুষ চাঁদে পা রেখেছে, মঙ্গলে যান পাঠাচ্ছে। কিন্তু প্রদীপের নিচে যেমন অন্ধকার থাকে, তেমনি এই বিজ্ঞানের যুগেও সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে আছে কুসংস্কার। কুসংস্কার হলো মনের অন্ধকার, যা যুক্তির আলোকে ভয় পায়। বিজ্ঞান ও কুসংস্কার দুটি বিপরীত মেরু—যেখানে বিজ্ঞান আছে, সেখানে কুসংস্কার থাকার কথা নয়।

কুসংস্কার মানে হলো যুক্তিহীন অন্ধ বিশ্বাস। কার্যকারণ সম্পর্ক বিচার না করে কোনো ঘটনাকে অলৌকিক বা দৈব বলে মেনে নেওয়াই হলো কুসংস্কার। পথে বিড়াল দেখলে থমকে দাঁড়ানো, হাঁচি দিলে যাত্রানাস্তি, তাবিজ-কবচ ধারণ, ডাইনিতন্ত্রে বিশ্বাস, সাপে কামড়ালে ওঝা ডাকা—এসবই কুসংস্কারের উদাহরণ। শিক্ষার আলো যেখানে পৌঁছায়নি, সেখানেই কুসংস্কারের দাপট বেশি।

আজকের মানুষ অদ্ভুত দ্বিমুখী আচরণ করে। পকেটে আধুনিক স্মার্টফোন, ঘরে ইন্টারনেট, চিকিৎসার জন্য আধুনিক হাসপাতাল—সবই বিজ্ঞানের দান। অথচ সেই মানুষই আবার পরীক্ষার আগে ‘ডিম’ খেতে ভয় পায় বা অসুখ হলে ঝাড়ফুঁক করায়। বিজ্ঞান আমাদের আরাম দিয়েছে, কিন্তু সবার মনে বিজ্ঞানমনস্কতা বা যুক্তিবাদী মন তৈরি করতে পারেনি। এই বৈপরীত্যই আমাদের সমাজের অগ্রগতির প্রধান বাধা।

কুসংস্কার শুধু হাস্যকর নয়, অনেক সময় তা প্রাণঘাতীও হয়। সাপে কামড়ালে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে ওঝার কাছে নিয়ে যাওয়ার ফলে অনেক মানুষের মৃত্যু হয়। ডাইনি সন্দেহে অনেক নিরপরাধ নারীকে হত্যা করার ঘটনাও খবরের কাগজে দেখা যায়। কুসংস্কার মানুষকে ভীরু করে তোলে এবং আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়।

সমাজ থেকে এই অন্ধকার দূর করতে বিজ্ঞানের আলো ছড়াতে হবে:

  • প্রকৃত শিক্ষা: শুধু বই মুখস্থ নয়, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা ও যুক্তিবাদী মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।
  • সচেতনতা বৃদ্ধি: বিজ্ঞান মঞ্চ, সেমিনার এবং প্রচারমাধ্যমের সাহায্যে অলৌকিক ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে।
  • চিকিৎসা ব্যবস্থা: গ্রামে গঞ্জে স্বাস্থ্যকেন্দ্র বাড়াতে হবে যাতে মানুষ ওঝার কাছে না যায়।

ছাত্ররাই দেশের ভবিষ্যৎ কান্ডারি। তাদের নিজেদের মন থেকে আগে কুসংস্কার ঝেড়ে ফেলতে হবে। তারপর পরিবার ও প্রতিবেশীদের সচেতন করতে হবে। গ্রামে গ্রামে গিয়ে ‘বিজ্ঞান ও যুক্তি’ বিষয়ক পথনাটিকা বা আলোচনার মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে পারে। কোনো অলৌকিক ঘটনা ঘটলে তার পেছনের আসল বৈজ্ঞানিক কারণ খুঁজে বের করে সবাইকে জানাতে হবে।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন— “যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে দীন, সেইখানে যে চরণ তোমার রাজে।” সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মন থেকে কুসংস্কারের অন্ধকার দূর না করলে দেশের প্রকৃত উন্নতি অসম্ভব। এসো, আমরা শপথ নিই—কুসংস্কারের অন্ধকার সরিয়ে যুক্তির আলোয় সমাজকে আলোকিত করব।

WBBSE Class 7 English Revision Lesson Solved | Activity 1-16 (Blossom)

WBBSE Class 7 English Revision Lesson Solved | Activity 1-16 (Blossom)

Revision Lesson

Activity 1

I [am/is] Nilofar. I [am/is] a girl. I study in class VII. There [is/are] forty students in our class. Some [is/are] boys and others [am/are] girls. Sima, Shamim and Rohini [am/are] my friends. Rohini [is/are] the best student in our class. She [is/are] very fond of me.

Activity 2

(a) In India summer is hot. In India winter is cold.

Answer: In India summer is hot but winter is cold.

(b) A mouse is a small animal. An elephant is a large animal.

Answer: A mouse is a small animal but an elephant is a large animal.

(c) I have a pen. I have a pencil.

Answer: I have a pen and a pencil.

(d) The sun rises in the east. The sun sets in the west.

Answer: The sun rises in the east and sets in the west.

(e) My father is tall. He is lean.

Answer: My father is tall but he is lean.

(f) Bees are small. Wasps are big.

Answer: Bees are small but wasps are big.

(g) In a cricket match we need a bat. We also need a ball.

Answer: In a cricket match we need a bat and also a ball.

Activity 3

(a) Teacher, student, chalk, tall, duster.

(b) Football, goal, beautiful, field, player.

(c) Books, nice, pen, paper, table.

(d) Red, apple, guava, banana, water melon.

(e) Rice, wheat, barley, cereals, golden.

(f) Spinach, cabbage, tasty, cauliflower, onions.

Activity 4

(a) My English textbook has [have/has] one hundred and thirty eight pages.

(b) Our class has [has/have] thirty students.

(c) My school has [have/has] a big playground.

(d) We have [has/have] a beautiful garden.

(e) All my friends have [have/has] some interest in sports.

Activity 5

Iswar Chandra Vidyasagar lived in the nineteenth century India when very few people went to school. He founded a school in Calcutta which was later known as Vidyasagar College. He wrote a Bengali primer which is used even today. We are proud of Vidyasagar for his great work in the field of education.

Activity 6

(a) The sun [rise/rises/rose] in the east.

(b) When do you [go/goes/went] to school?

(c) Two and two [make/makes/made] four.

(d) The great scholar Bopedev [write/writes/wrote] ‘Mugdha Bodh’.

(e) Robert Bruce [fight/fights/fought] hard to regain his kingdom.

Activity 7

good : bad; fat : thin; wise : foolish; dull : intelligent / bright; old : new / young; warm : cool; kind : cruel; happy : sad; tall : short

Activity 8

(a) Water is a colourless liquid.

(b) Rita was restless as she had fever.

(c) People often become homeless during a natural calamity.

(d) A snake is harmless if not disturbed.

(e) The king became powerless after his brother betrayed him.

(f) A sentence is meaningless without a verb.

Activity 9

The History of Chess

Almost two thousand years ago a board-game was played in (at) India. It was call Chaturanga. It was very popular among kings, warriors and scholars. Chaturanga means (mean) four limbs. It represented (represent) the four groups of the army: the warriors who fought on elephants, the cavalry, the charioteers and the infantry. From India the game went to Persia where it was called Shatranj. Some of the words we now use (used) in chess were used in Persia. The term, ‘checkmate’, was earlier call ‘Shah Mat’ or ‘the king is dead’. From Persia, the game went to Europe. The game is (was) now called chess.

Activity 10

CountryNationality
IndiaIndian
IranIranian
ItalyItalian
RussiaRussian
CanadaCanadian
AmericaAmerican
ChinaChinese
NepalNepalese
JapanJapanese
PakistanPakistani
EnglandEnglish

Activity 11

slowly: The turtle walks very slowly.

fast: Cheetah can run very fast.

now: I am going to school now.

often: He often comes to our house.

sometimes: Sometimes I play football in the afternoon.

Activity 12

put : put; meet : met; jump : jumped; sleep : slept; cry : cried; kneel : knelt

Activity 13

(a) They are going (goes/are going/was going) to school.

(b) He lives (live/lives/have lived) within his means.

(c) She and her friends went (go/went/goes) to the picnic yesterday.

(d) Rahim and I were eating (eat/ate/were eating) when the bell rang.

(e) The striker scored (score/is scoring/scored) a goal in the football match yesterday.

Activity 14

Common nounProper NounMaterial NounAbstract NounCollective Noun
cowVidyasagarchalkhonestyfleet
girlRobert Bruceringfriendshipherd
dogRabindranathtruthfulnessclass
tableenmity
television
teacher
bench
football

Activity 15

Sabeena’s Family Sabeena belongs to a wonderful family. Her grandfather is Kazi Abdul and her grandmother is Nargis. They are the elders of the family. Her father’s name is Kazi Nurul and her mother is Shakeela. Sabeena has two brothers named Irfan and Imran. They all live together happily and love each other very much.

Activity 16

Crow looking for water-thirsty-finds a pitcher-water at the bottom-finds pebbles-drops pebbles-water level rises-quenches thirst

The Thirsty Crow

One hot summer day, a crow was very thirsty. He flew around looking for water. Suddenly, he found a pitcher in a garden. But the water was at the bottom. He could not reach it. He saw some pebbles nearby. He dropped the pebbles into the pitcher one by one. The water level rose up. The crow drank the water and flew away happily.

মাধ্যমিক ভূগোল : ম্যাপ পয়েন্টিং প্র্যাকটিস সেট - ০১

মাধ্যমিক ভূগোল : ম্যাপ পয়েন্টিং প্র্যাকটিস সেট – ০১

৬। প্রশ্নপত্রের সাথে প্রদত্ত ভারতের রেখা-মানচিত্রে নিম্নলিখিতগুলি উপযুক্ত প্রতীক ও নামসহ চিহ্নিত করে মানচিত্রটি উত্তরপত্রের সঙ্গে জুড়ে দাও:

  • ৬.১) শিবালিক পর্বত
  • ৬.২) কাবেরী নদী
  • ৬.৩) বছরে দুবার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চল
  • ৬.৪) একটি লবণাক্ত মৃত্তিকা অঞ্চল
  • ৬.৫) একটি মিলেট উৎপাদক অঞ্চল
  • ৬.৬) ভারতের সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য
  • ৬.৭) পশ্চিমবঙ্গের একটি পেট্রোরসায়ন শিল্পকেন্দ্র
  • ৬.৮) ভারতের কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণাকেন্দ্র
  • ৬.৯) পূর্ব-ভারতের বৃহত্তম মহানগর
  • ৬.১০) ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার
Geography Map Pointing

ম্যাপে পয়েন্ট করার জন্য নির্দেশনা:

১. শিবালিক পর্বত: ভারতের মানচিত্রের একদম উত্তরে, হিমালয়ের দক্ষিণ প্রান্ত বরাবর (জম্মু ও কাশ্মীর থেকে হিমাচল ও উত্তরাখণ্ড হয়ে নেপাল বর্ডার পর্যন্ত) একটি ধনুকের মতো রেখা টানবে।

২. কাবেরী নদী: দক্ষিণ ভারতে, কর্ণাটক থেকে উৎপন্ন হয়ে তামিলনাড়ুর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়েছে—এই নদীপথটি আঁকবে।

৩. করমণ্ডল উপকূল (বছরে দুবার বৃষ্টিপাতযুক্ত অঞ্চল): ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, তামিলনাড়ুর উপকূল রেখাটি চিহ্নিত করবে।

৪. সুন্দরবন (একটি লবনাক্ত মৃত্তিকা অঞ্চল): পশ্চিমবঙ্গের একদম দক্ষিণে, বদ্বীপ অঞ্চলটি ভরাট করে দেখাবে। (বিকল্প হিসেবে গুজরাটের কচ্ছের রণও দেখানো যায়, তবে সুন্দরবন দেখানো সহজ)।

৫. রাজস্থান / জোধপুর অঞ্চল (একটি মিলেট উৎপাদক অঞ্চল): ভারতের পশ্চিম দিকে রাজস্থানের মরুভূমি সংলগ্ন অঞ্চলটি গোল করে চিহ্নিত করবে। জোয়ার, বাজরা বা রাগী এখানে ভালো হয়।

৬. বিহার (ভারতের সর্বাধিক জনঘনত্বপূর্ণ রাজ্য): পশ্চিমবঙ্গের ঠিক পশ্চিমে অবস্থিত বিহার রাজ্যটি পুরোটা চিহ্নিত করবে বা বর্ডার দিয়ে ঘিরে দেবে। (২০১১ আদমশুমারি অনুযায়ী)।

৭. হলদিয়া (পশ্চিমবঙ্গের একটি পেট্রোরসায়ন শিল্পকেন্দ্র): পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে কলকাতার সামান্য দক্ষিণ-পশ্চিমে, যেখানে হুগলি নদী সাগরে মিশছে, সেই পয়েন্টটি চিহ্নিত করবে।

৮. নয়াদিল্লি / পুসা (ভারতের কেন্দ্রীয় কৃষি গবেষণাগার): মানচিত্রে ভারতের রাজধানী দিল্লি যেখানে অবস্থিত, ঠিক সেই বিন্দুটি ভরাট করে চিহ্নিত করবে।

৯. কলকাতা (পূর্ব-ভারতের বৃহত্তম মহানগর): পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে হুগলি নদীর তীরে অবস্থিত কলকাতা শহরটি একটি বিন্দু দিয়ে চিহ্নিত করবে।

১০. আহমেদাবাদ (ভারতের ম্যাঞ্চেস্টার): ভারতের পশ্চিম দিকে গুজরাট রাজ্যের মাঝখানে খাম্বাত উপসাগরের কিছুটা উপরে একটি বিন্দু দিয়ে চিহ্নিত করবে।

Class X | Bliss | Chapter 1 | Father's Help

Father’s Help Class 10: All Exercise Solved | MCQ, Grammar & Question Answer

Father’s Help

– By R.K. Narayan

The Author and the text: (লেখক ও পাঠ পরিচিতি)

R.K. Narayan (1906–2001) is one of the leading figures of early Indian literature in English. His notable works include Malgudi Days and The Guide. He was awarded the Sahitya Akademi Award in 1958 for The Guide.

বঙ্গানুবাদ: আর. কে. নারায়ণ (১৯০৬-২০০১) ইংরেজি ভাষায় প্রারম্ভিক বা প্রথম যুগের ভারতীয় সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলির মধ্যে রয়েছে মালগুড়ি ডেজ এবং দ্য গাইড। দ্য গাইড রচনার জন্য ১৯৫৮ সালে তাঁকে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

The story, an edited excerpt from Malgudi Days, is about a young boy called Swaminathan who is unwilling to go to school but is forced by his father to attend school. The story explores how, through the events that follow, Swami’s original reservations about his teacher Samuel get transformed considerably

বঙ্গানুবাদ: গল্পটি মালগুড়ি ডেজ থেকে নেওয়া একটি সম্পাদিত অংশ, যা স্বামীনাথন নামে একটি কমবয়সি ছেলেকে নিয়ে। সে স্কুলে যেতে অনিচ্ছুক, কিন্তু তার বাবা তাকে জোর করে স্কুলে পাঠান। গল্পটিতে অন্বেষণ করা হয়েছে বা দেখানো হয়েছে যে, পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের মধ্য দিয়ে শিক্ষক স্যামুয়েল সম্পর্কে স্বামীর মনে যে প্রাথমিক ধারণা বা দ্বিধা ছিল, তা কীভাবে উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়।

UNIT-1

📖 Text & Translation (পাঠ্য ও বঙ্গানুবাদ)

Lying in bed, Swami realized with a shudder that it was Monday morning. It looked as though only a moment ago it was Friday. Already Monday was there. He hoped he didn’t have to go to school.

বিছানায় শুয়ে, স্বামী ভয়ে কেঁপে উঠে বুঝতে পারল যে এটা সোমবার সকাল। মনে হচ্ছিল যেন মাত্র এক মুহূর্ত আগেই এটা শুক্রবার ছিল। ইতিমধ্যেই সোমবার এসে গেছে। সে আশা করেছিল যে তাকে হয়তো স্কুলে যেতে হবে না।

At nine o’clock Swaminathan wailed, “I have a headache.”

সকাল ন-টার সময় স্বামীনাথন আর্তনাদ করে বলল, “আমার মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছে।”

Mother generously suggested that Swami might stay at home.

মা উদারভাবে প্রস্তাব দিলেন যে স্বামী বাড়িতেই থাকতে পারে।

At 9.30, when he ought to have been in the school prayer hall, Swami was lying on the bench in Mother’s room.

সকাল সাড়ে ন-টার সময়, যখন তার স্কুলের প্রার্থনা কক্ষে থাকার কথা ছিল, তখন স্বামী মায়ের ঘরে বেঞ্চের ওপর শুয়েছিল।

Father asked him, “Have you no school today?”

বাবা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, “আজ তোমার স্কুল নেই?”

“Headache,” Swami replied.

“মাথা যন্ত্রণা,” স্বামী উত্তর দিল।

“Nonsense! Dress up and go.”

“বাজে কথা! পোশাক পরো এবং যাও।”

“Headache!”

“মাথা যন্ত্রণা করছে!”

“Loaf about less on Sundays and you will be without a headache on Monday.”

“রবিবার দিনগুলোতে একটু কম ঘোরাঘুরি করো, তাহলে সোমবারে আর মাথা ব্যথা থাকবে না।”

Swami knew how strict his father could be. So he changed his tactics.

স্বামী জানত তার বাবা কতটা কঠোর হতে পারেন। তাই সে তার কৌশল পরিবর্তন করল।

“I can’t go so late to the class.”

“আমি এত দেরি করে ক্লাসে যেতে পারব না।”

“You’ll have to. It is your own fault.”

“তোমাকে যেতেই হবে। এটা তোমার নিজের দোষ।”

“What will the teacher think if I go so late?”

“আমি যদি এত দেরি করে যাই তবে শিক্ষক মহাশয় কী ভাববেন?”

“Tell him you had a headache and so are late.”

“তাঁকে বলো তোমার মাথা ধরেছিল তাই দেরি হয়েছে।”

“He will scold me if I say so.”

“আমি যদি ওমন বলি তবে তিনি আমাকে বকবেন।”

“Will he? Let us see. What is his name?”

“তাই নাকি? দেখা যাক। তাঁর নাম কী?”

“Samuel.”

“স্যামুয়েল।”

“Does he always scold the students?”

“তিনি কি সবসময় ছাত্রদের বকাবকি করেন?”

“He is a very angry man. He is especially angry with boys who come in late. I wouldn’t like to go late to Samuel’s class.”

“তিনি খুব রাগী মানুষ। তিনি বিশেষ করে সেইসব ছেলেদের ওপর রেগে যান যারা দেরি করে আসে। আমি স্যামুয়েল স্যারের ক্লাসে দেরি করে যেতে চাই না।”

“If he is so angry, why not tell your headmaster about it?”

“যদি তিনি এতটাই রাগী হন, তবে তোমরা প্রধান শিক্ষককে এ ব্যাপারে বলো না কেন?”

“They say that even the headmaster is afraid of him.”

“লোকে বলে যে এমনকি প্রধান শিক্ষকও তাঁকে ভয় পান।”

📝 Word Nest (শব্দার্থ )
  • Shudder (শাডার): Shaking of body caused by fear. (ভয়ে শরীর কেঁপে ওঠা।)
  • Loaf (লোফ): Move around in an idle manner. (অলসভাবে ঘোরাঘুরি করা।)

Comprehension Exercises (Unit 1)

1. Choose the correct alternative to complete the following sentences:

(a) With a shudder Swami realized that it was (ভয়ে কেঁপে উঠে স্বামী বুঝতে পারল যে এটা ছিল…)

  • (i) Friday
  • (ii) Thursday
  • (iii) Wednesday
  • (iv) Monday

Answer: (iv) Monday

(b) When Swami ought to have been in the school prayer hall, he was lying on the (যখন স্বামীর স্কুলের প্রেয়ার হলে থাকার কথা ছিল, তখন সে শুয়েছিল…)

  • (i) bench
  • (ii) table
  • (iii) bed
  • (iv) desk

Answer: (i) bench

(c) According to Swami, Samuel is especially angry with boys who are (স্বামীর মতে, স্যামুয়েল স্যার বিশেষ করে সেইসব ছেলেদের ওপর রেগে যান যারা…)

  • (i) absent
  • (ii) late
  • (iii) inattentive
  • (iv) undisciplined

Answer: (ii) late

2. Fill in the chart with information from the text:
(a) Time when Swami complained of a headacheAt Nine o’clock. (সকাল ৯টা)
(b) Person who ordered Swami to dress up and go to school.His father. (তার বাবা)
(c) Name of the teacher mentioned by swamiSemuel (স্যামুয়েল)
3. State whether the following statements are True or False. Provide sentences/phrases/words in support of your answer: (নিচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা লেখো এবং তোমার উত্তরের সপক্ষে পাঠ্য থেকে বাক্য/শব্দগুচ্ছ উদ্ধৃত করো)

(a) Swami said that he had a headache. (স্বামী বলেছিল যে তার মাথা যন্ত্রণা করছে।)

Answer: True (T)

Supporting Statement: “At nine o’clock Swaminathan wailed, ‘I have a headache’.”

(b) Swami was lying in his father’s room. (স্বামী তার বাবার ঘরে শুয়েছিল।)

Answer: False (F)

Supporting Statement: “Swami was lying on the bench in Mother’s room.”

(c) According to Swami, the headmaster was not afraid of Samuel. (স্বামীর মতে, হেডমাস্টার স্যামুয়েলকে ভয় পেতেন না।)

Answer: False (F)

Supporting Statement: “They say that even the headmaster is afraid of him.”

UNIT-2

📖 Text & Translation (পাঠ্য ও বঙ্গানুবাদ)

Swami hoped that with this his father would be made to see why he must avoid school for the day.

স্বামী আশা করেছিল যে, এটা দিয়ে তার বাবাকে বোঝানো যাবে কেন আজকের দিনটা তার স্কুল এড়ানো উচিত।

But Father’s behaviour took an unexpected turn. He proposed to send a letter with Swami to the headmaster. No amount of protest from Swami would make him change his mind.

কিন্তু বাবার আচরণে এক অপ্রত্যাশিত মোড় এল। তিনি প্রস্তাব দিলেন যে স্বামীর হাত দিয়ে তিনি প্রধান শিক্ষককে একটি চিঠি পাঠাবেন। স্বামীর তরফ থেকে কোনো পরিমাণ প্রতিবাদই তার মন পরিবর্তন করতে পারল না।

By the time Swami was ready to leave for school, Father had composed a long letter to the headmaster. He put it in an envelope and sealed it.

ততক্ষণে স্বামী স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়ে গেল, বাবা প্রধান শিক্ষকের উদ্দেশ্যে একটি দীর্ঘ চিঠি লিখে ফেললেন। তিনি এটি একটি খামের মধ্যে রাখলেন এবং খামের মুখ বন্ধ করে দিলেন।

“What have you written, Father?” Swami asked apprehensively.

“তুমি কী লিখেছ বাবা?” স্বামী শঙ্কিত হয়ে জিজ্ঞাসা করল।

“Nothing for you. Give it to your headmaster and go to your class.”

“তোমার জন্য কিছু না। এটা তোমার প্রধান শিক্ষককে দিও এবং তোমার ক্লাসে চলে যেও।”

“Have you written anything about our teacher Samuel?”

“তুমি কি আমাদের শিক্ষক স্যামুয়েলের ব্যাপারে কিছু লিখেছ?”

“Yes. Plenty of things.”

“হ্যাঁ। অনেক কিছু।”

“What has he done, Father?”

“তিনি কী করেছেন, বাবা?”

“Everything is there in the letter. Give it to your headmaster.”

“সবকিছু চিঠিতে আছে। এটা তোমার প্রধান শিক্ষককে দিয়ে দিও।”

Swami went to school feeling that he was the worst boy on earth. His conscience bothered him. He was not at all sure if his description of Samuel had been accurate. He felt he had mixed up the real and the imagined.

স্বামী নিজেকে পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ ছেলে মনে করে স্কুলে গেল। তার বিবেক তাকে দংশন করতে লাগল। সে আদৌ নিশ্চিত ছিল না যে স্যামুয়েল সম্পর্কে তার বর্ণনা সঠিক ছিল কি না। সে অনুভব করল যে সে বাস্তব এবং কল্পনাকে গুলিয়ে ফেলেছে।

Swami stopped on the roadside to make up his mind about Samuel. Samuel was not such a bad man after all. Personally he was much more friendly than the other teachers. Swami also felt Samuel had a special regard for him.

স্যামুয়েল সম্পর্কে মনস্থির করার জন্য স্বামী রাস্তার ধারে দাঁড়াল। আসলে স্যামুয়েল অতটা খারাপ মানুষ ছিলেন না। ব্যক্তিগতভাবে তিনি অন্যান্য শিক্ষকদের চেয়ে অনেক বেশি বন্ধুত্বপূর্ণ ছিলেন। স্বামী এটাও অনুভব করল যে তার প্রতি স্যামুয়েলের একটা বিশেষ স্নেহ রয়েছে।

Swami’s head was dizzy with confusion. He could not decide if Samuel really deserved the allegations made against him in the letter. The more he thought of Samuel, the more Swami grieved for him. To recall Samuel’s dark face, his thin moustache, unshaven cheek and yellow coat filled Swaminathan with sorrow.

বিভ্রান্তিতে স্বামীর মাথা ঝিমঝিম করতে লাগল। চিঠিতে স্যামুয়েলের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হয়েছে, সেগুলো কি সত্যিই তার প্রাপ্য—সেটা সে ঠিক করতে পারছিল না। সে যতই স্যামুয়েলের কথা ভাবতে লাগল, ততই স্বামী তার জন্য দুঃখ পেতে লাগল। স্যামুয়েলের কালো মুখ, সরু গোঁফ, না-কামানো গাল এবং হলুদ কোটের কথা মনে করে স্বামীনাথনের মন দুঃখে ভরে গেল।

📝 Word Nest (শব্দার্থ)
  • Apprehensively (অ্যাপ্রিহেনসিভলি): In a manner which expresses worry that something unpleasant may happen. (কোনো কিছু খারাপ ঘটতে পারে ভেবে উদ্বেগ প্রকাশ করা বা শঙ্কিত হওয়া।)
  • Dizzy (ডিজি): Imbalanced and undecided state of mind. (মনের অস্থিরতা বা মাথা ঝিমঝিম করা /সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা)।

Comprehension Exercises (Unit 2)

4. Choose the correct alternative to complete the following sentences: (সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করো)

(a) Father decided to send the headmaster a (বাবা হেডমাস্টারমশাইকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলেন একটি…)

  • (i) telegram
  • (ii) notice
  • (iii) letter
  • (iv) report

Answer: (iii) letter (চিঠি)

(b) While going to school Swami was bothered by (স্কুলে যাওয়ার পথে স্বামীকে কষ্ট দিচ্ছিল তার…)

  • (i) conscience
  • (ii) headache
  • (iii) toothache
  • (iv) fever

Answer: (i) conscience (বিবেক)

(c) The colour of Samuel’s coat was (স্যামুয়েল স্যারের কোটের রং ছিল…)

  • (i) black
  • (ii) blue
  • (iii) white
  • (iv) yellow

Answer: (iv) yellow (হলুদ)

5. Complete the following sentences with information from the text: (পাঠ্যাংশ থেকে তথ্য নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো)

(a) Father’s behaviour took an __________________________.

Ans: unexpected turn. (বাবার আচরণ একটি অপ্রত্যাশিত মোড় নিল।)

(b) Swami went to school feeling _________________________.

Ans: that he was the worst boy on earth. (স্বামী স্কুলে যাচ্ছিল এই ভেবে যে সে পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ ছেলে।)

(c) Swami stopped on the roadside to _____________________.

Ans: make up his mind about Samuel. (স্বামী রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিল স্যামুয়েল সম্পর্কে মনস্থির করার জন্য।)

6. Answer the following questions: (নিচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও)

(a) Where did Father put the letter? (বাবা চিঠিটি কোথায় রেখেছিলেন?)

Ans: Father put the letter in an envelope and sealed it. (বাবা চিঠিটি একটি খামের মধ্যে রাখলেন এবং সেটার মুখ বন্ধ করে দিলেন।)

(b) What did Swami fail to decide about Samuel? (স্বামী স্যামুয়েল সম্পর্কে কী সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়েছিল?)

Ans: Swami could not decide if Samuel really deserved the allegations made against him in the letter. (স্বামী সিদ্ধান্ত নিতে পারছিল না যে চিঠিতে করা অভিযোগগুলো সত্যিই স্যামুয়েলের প্রাপ্য ছিল কি না।)

(c) How did Samuel look? (স্যামুয়েল দেখতে কেমন ছিলেন?)

Ans: Samuel had a dark face, thin moustache, unshaven cheek and he wore a yellow coat. (স্যামুয়েলের মুখ ছিল কালো, সরু গোঁফ, না-কামানো গাল এবং তিনি একটি হলুদ কোট পরতেন।)

UNIT-3

📖 Text & Translation (পাঠ্য ও বঙ্গানুবাদ)

As he entered the school gate, an idea occurred to him. He would deliver the letter to the headmaster at the end of the day. There was a chance Samuel might do something during the course of the day to justify the letter.

যেই সে স্কুলের গেটে প্রবেশ করল, তার মাথায় একটা বুদ্ধি এল। সে দিনের শেষে প্রধান শিক্ষককে চিঠিটা জমা দেবে। সারা দিনে এমন একটা সুযোগ থাকতে পারে যে স্যামুয়েল হয়তো এমন কিছু করবেন যা চিঠির অভিযোগগুলোকে সঠিক প্রমাণ করবে।

Swami stood at the entrance to his class. Samuel was teaching arithmetic. He looked at Swami. Swami hoped Samuel would scold him severely.

স্বামী তার ক্লাসের প্রবেশদ্বারে দাঁড়াল। স্যামুয়েল তখন পাটিগণিত পড়াচ্ছিলেন। তিনি স্বামীর দিকে তাকালেন। স্বামী আশা করেছিল স্যামুয়েল তাকে খুব কঠোরভাবে বকবেন।

“You are half an hour late,” Samuel said.

“তুমি আধ ঘণ্টা দেরি করে এসেছ,” স্যামুয়েল বললেন।

“I have a headache, sir,” Swami said.

“আমার মাথা যন্ত্রণা করছে, স্যার,” স্বামী বলল।

“Then why did you come at all?”

“তাহলে তুমি আদপেই স্কুলে এলে কেন?”

This was an unexpected question from Samuel.

স্যামুয়েলের কাছ থেকে এটা ছিল এক অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন।

Swami said, “My father said I shouldn’t miss school, sir.”

স্বামী বলল, “আমার বাবা বলেছেন আমার স্কুল কামাই করা উচিত নয়, স্যার।”

Samuel looked impressed. “Your father is quite right. We want more parents like him.”

স্যামুয়েলকে বেশ মুগ্ধ মনে হলো। “তোমার বাবা একদম ঠিক বলেছেন। আমরা তাঁর মতোই আরও অভিভাবক চাই।”

“Oh, you poor man!” Swami thought, “you don’t know what my father has done to you.”

“ওহ, বেচারা মানুষ!” স্বামী ভাবল, “আপনি জানেন না আমার বাবা আপনার কী ব্যবস্থা করেছেন।”

“All right, go to your seat.”

“ঠিক আছে, তোমার জায়গায় যাও।”

Swami sat down, feeling sad. He had never met anyone as good as Samuel.

দুঃখিত হয়ে স্বামী বসে পড়ল। স্যামুয়েলের মতো এত ভালো কারো সঙ্গে তার কখনো দেখা হয়নি।

The teacher was inspecting the home lessons. To Swami’s thinking, this was the time when Samuel got most angry. But today Samuel appeared very gentle.

শিক্ষক তখন বাড়ির কাজ দেখছিলেন। স্বামীর ভাবনা অনুযায়ী, এটাই সেই সময় যখন স্যামুয়েল সবথেকে বেশি রেগে যান। কিন্তু আজ স্যামুয়েলকে খুব শান্ত মনে হচ্ছিল।

“Swaminathan, where is your homework?”

“স্বামীনাথন, তোমার বাড়ির কাজ কোথায়?”

“I have not done my homework, sir,” Swami said.

“আমি আমার বাড়ির কাজ করিনি, স্যার,” স্বামী বলল।

“Why – headache?” asked Samuel.

“কেন – মাথা ব্যথা?” স্যামুয়েল জিজ্ঞাসা করলেন।

“Yes, sir.”

“হ্যাঁ, স্যার।”

“All right, sit down,” Samuel said.

“ঠিক আছে, বসে পড়ো,” স্যামুয়েল বললেন।

When the bell rang for the last period at 4.30, Swami picked up his books and ran to the headmaster’s room. He found the room locked. The peon told him the headmaster had gone on a week’s leave. Swaminathan ran away from the place.

বিকেল সাড়ে চারটেয় যখন শেষ পিরিয়ডের ঘণ্টা বাজল, স্বামী তার বইপত্র গুছিয়ে নিয়ে প্রধান শিক্ষকের ঘরের দিকে দৌড় দিল। সে দেখল ঘরটি তালাবন্ধ। পিয়ন তাকে বলল যে প্রধান শিক্ষক এক সপ্তাহের ছুটিতে গেছেন। স্বামীনাথন সেখান থেকে দৌড়ে পালিয়ে এল।

As soon as he entered home with the letter, Father said, “I knew you wouldn’t deliver it.”

চিঠিটা নিয়ে বাড়িতে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই বাবা বললেন, “আমি জানতাম তুমি এটা দেবে না।”

“But the headmaster is on leave,” Swami said.

“কিন্তু প্রধান শিক্ষক ছুটিতে আছেন,” স্বামী বলল।

Father snatched the letter away from Swami and tore it up.

বাবা স্বামীর হাত থেকে চিঠিটা ছিনিয়ে নিলেন এবং টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে ফেললেন।

“Don’t ever come to me for help if Samuel scolds you again. You deserve your Samuel,” he said.

“স্যামুয়েল যদি তোমাকে আবার বকে, তবে সাহায্যের জন্য আর কখনো আমার কাছে এসো না। তোমার স্যামুয়েলের মতোই শিক্ষক প্রাপ্য,” তিনি বললেন।

Word Nest (শব্দার্থ)

Snatch (স্ন্যাচ): Took forcibly. (জোর করে কোনো কিছু নিয়ে নেওয়া বা কেড়ে নেওয়া / ছিনিয়ে নেওয়া)।

Comprehension Exercises (Unit 3)

7. Choose the correct alternative to complete the following sentences: (সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করো)

(a) When Swami entered the class, Samuel was teaching (স্বামী যখন ক্লাসে ঢুকল, স্যামুয়েল তখন পড়াচ্ছিলেন…)

  • (i) history
  • (ii) arithmetic
  • (iii) science
  • (iv) geography

Answer: (ii) arithmetic (পাটিগণিত)

(b) Swami was late to school by (স্বামী স্কুলে দেরি করে এসেছিল…)

  • (i) half an hour
  • (ii) an hour
  • (iii) two hours
  • (iv) three hours

Answer: (i) half an hour (আধ ঘণ্টা)

(c) The Headmaster was on leave for one (হেডমাস্টার ছুটিতে ছিলেন এক…)

  • (i) day
  • (ii) month
  • (iii) year
  • (iv) week

Answer: (iv) week (সপ্তাহ)

8. Complete the following sentences with information from the text: (পাঠ্যাংশ থেকে তথ্য নিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো)

(a) As Swami entered the school gate ______________________.

Ans: an idea occurred to him. (স্কুল গেটে ঢুকতেই তার মাথায় একটা বুদ্ধি এল।)

(b) Swami stood at ______________________________________.

Ans: the entrance to his class. (স্বামী তার ক্লাসের প্রবেশদ্বারে দাঁড়াল।)

(c) Father snatched the letter away from Swami and ______________________________________.

Ans: tore it up. (বাবা স্বামীর হাত থেকে চিঠিটা ছিনিয়ে নিলেন এবং ছিঁড়ে ফেললেন।)

9. Fill in the chart with information from the text: (পাঠ্যাংশ থেকে তথ্য নিয়ে কারণ ও ফলাফল ছকটি পূরণ করো)
Cause (কারণ)Effect (ফলাফল)
a) He had a headache.
(তার মাথা যন্ত্রণা ছিল)
a) Swami did not do his homework.
(স্বামী তার বাড়ির কাজ করেনি)
b) Swami never met anyone as good as Samuel.
(স্বামী স্যামুয়েলের মতো ভালো মানুষ দেখেনি)
b) Swami sat down feeling sad.
(স্বামী দুঃখিত হয়ে বসে পড়ল)
(c) The headmaster had gone on a week’s leave.
(হেডমাস্টার এক সপ্তাহের ছুটিতে গিয়েছিলেন)
c) Swami could not deliver the letter.
(স্বামী চিঠিটা জমা দিতে পারল না)

Grammar in use

10. Choose the correct alternative to complete the following sentences:
  • (a) Rina takes (take/takes/took) the bus to school everyday.
  • (b) Last Monday, while we were watching (was watching/have been watching/were watching) the television, the electricity went off.
  • (c) By this time tomorrow they will have left (will have left/will have leave/will had left).
11. Fill in the blanks with appropriate articles and prepositions:

Arifa, the younger of the two girls, has cracked IIT, while the older one is an engineer in a multinational company.